স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, লিপি তার ১৩ বছর বয়সী মেয়েকে নিয়ে ওই বাসায় ভাড়া থাকতেন। সম্প্রতি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণায় ব্যস্ত থাকায় মেয়েকে পার্শ্ববর্তী এলাকায় তার মায়ের বাসায় পাঠিয়ে দিয়েছিলেন। বুধবার দীর্ঘ সময় ফোনে তাকে না পেয়ে স্বজনরা বাসায় গিয়ে দেখেন দরজা ভেতর থেকে আটকানো। পরে জানালার ফাঁক দিয়ে তার ঝুলন্ত দেহ দেখে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ এসে দরজা ভেঙে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
নিহতের বোন পিংকি এবং রাজনৈতিক সহকর্মীরা এই মৃত্যুকে রহস্যজনক বলে দাবি করেছেন। তারা জানান, প্রবাসী স্বামীর সঙ্গে লিপির কোনো পারিবারিক কলহ ছিল না এবং রাজনৈতিকভাবেও তিনি বেশ সক্রিয় ছিলেন। হঠাৎ করে কেন এমন ঘটনা ঘটলো তা খতিয়ে দেখতে এবং লিপির ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি নিবিড়ভাবে পরীক্ষা করার দাবি জানিয়েছেন তারা।
ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী মুহাম্মদ ফৌজুল আজিম জানান, কক্ষের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ থাকায় প্রাথমিকভাবে বিষয়টিকে আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের জন্য অপেক্ষা করছে পুলিশ। নিহতের মোবাইল ফোনটি জব্দ করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় তদন্ত চলমান রয়েছে।