সতর্কবার্তায় বলা হয়, বর্তমান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র সরকার ইরানে অবস্থানরত নাগরিকদের সরাসরি সহায়তা দিতে সক্ষম নয়। তাই মার্কিন নাগরিকদের নিজ উদ্যোগে ও যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সহায়তা ছাড়াই দেশত্যাগের পরিকল্পনা করতে বলা হয়েছে।
যারা কোনো কারণে ইরান ছাড়তে পারছেন না, তাদের উদ্দেশে বলা হয়েছে, নিজ নিজ বাসভবনের ভেতরে অথবা অন্য কোনো নিরাপদ স্থানে অবস্থান করতে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন হতে পারে, এ বিষয়টি বিবেচনায় রেখে বিকল্প যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রস্তুতিও নিতে বলা হয়েছে।
পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে স্থলপথে আর্মেনিয়া বা তুরস্ক হয়ে ইরান ত্যাগের বিষয়টি বিবেচনা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে সতর্কবার্তায়।
এতে আরও জানানো হয়, মার্কিন-ইরানি দ্বৈত নাগরিকদের ইরান ছাড়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই ইরানি পাসপোর্ট ব্যবহার করতে হবে। কারণ, ইরান সরকার দ্বৈত নাগরিকত্ব স্বীকৃতি দেয় না এবং দ্বৈত নাগরিকদের কেবল ইরানি নাগরিক হিসেবেই বিবেচনা করে।
ভার্চুয়াল দূতাবাস সতর্ক করে জানায়, মার্কিন পাসপোর্ট প্রদর্শন বা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে—এমন কোনো প্রমাণ দেখানো ইরানি কর্তৃপক্ষের কাছে আটক হওয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
এদিকে ইরানে চলমান বিক্ষোভ ও সরকারি দমন-পীড়নের প্রেক্ষাপটে তেহরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের হুমকি অব্যাহত রেখেছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন।
হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লিভিট সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, 'প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সবসময় সব ধরনের বিকল্প খোলা রাখতে পছন্দ করেন। কমান্ডার ইন চিফ হিসেবে তার সামনে থাকা বিকল্পগুলোর মধ্যে বিমান হামলাও একটি সম্ভাব্য পথ।'
তিনি আরও বলেন, 'ট্রাম্প সামরিক শক্তি প্রয়োগে দ্বিধাগ্রস্ত নন এবং ইরান এ বিষয়টি ভালোভাবেই জানে।'