গত দুই দিন ধরে স্থানীয় শিক্ষার্থী, অভিভাবক, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা এ আয়োজনের তীব্র নিন্দা জানান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) জবাবদিহি দাবি করেন।
বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) সকালে ‘মুসলিম জনতা’র ব্যানারে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপজেলা পরিষদ চত্বরে একত্রিত হয়ে প্রতিবাদ সভা করেন। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর একটি প্রতিবাদলিপি প্রদান করা হয়।
প্রতিবাদ সভায় উপস্থিত শিক্ষার্থী সেকান্তর বাদশা বলেন, 'মসজিদ একটি পবিত্র স্থান। এখানে এ ধরনের আয়োজন করে আমাদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করা হয়েছে। আমরা চাই সংশ্লিষ্টরা প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইবেন।'
আরেক শিক্ষার্থী শাহাজাদ হোসেন বলেন, 'উপজেলায় স্টেডিয়ামসহ অনেক উন্মুক্ত স্থান রয়েছে। সেখানে অনুষ্ঠান করা যেত। মসজিদের সামনে এমন আয়োজন বিবেকহীনতার পরিচয়। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই।'
ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন জোরারগঞ্জ থানা শাখা।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোমাইয়া আক্তার সাংবাদিক ও উপস্থিত জনতার উদ্দেশ্যে বলেন, 'আমি শুরু থেকেই ১৬ ডিসেম্বরের অনুষ্ঠান মিরসরাই স্টেডিয়ামে করার পক্ষে ছিলাম। তবে এটি আমার একক সিদ্ধান্ত ছিল না। প্রোগ্রামের আগে দায়িত্বশীলদের সঙ্গে বৈঠকে আইনশৃঙ্খলার বিষয় বিবেচনায় নিয়ে উপজেলা এলাকায় অনুষ্ঠান করার বিষয়ে সবাই একমত হন। সেখানে দুই থানার কর্মকর্তা, শিক্ষক প্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা এবং দুই প্রেসক্লাবের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। তিনি আরো বলেন, তখন কেউ ভেটো দিলে আয়োজন বন্ধ করে দিতাম। বিষয়টি অবশ্যই দুঃখজনক এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে না।'