স্থানীয়দের দাবি, মৎস্য প্রকল্পটি ইউনিয়ন জামায়াতের যুব বিভাগের সভাপতি সাইফুল ইসলাম মামুনের মালিকানাধীন। তবে এ বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত কয়েকদিন ধরে কিছু ব্যক্তি বস্তা নিয়ে প্রকল্পে আসা-যাওয়া করছিলেন। বুধবার দুপুরে একটি মাইক্রোবাসে কয়েকজন ব্যক্তি এসে পরিত্যক্ত ভবনে কিছু সময় অবস্থান করেন। পরে তারা কয়েকটি বস্তায় মালামাল ভরে দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে স্থানীয়রা ভবনে গিয়ে ককটেল তৈরির সরঞ্জাম সদৃশ বিভিন্ন উপকরণ দেখতে পান। পরে তারা থানায় খবর দিলে যৌথবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে জিআই পাইপসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করেন।
স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, 'আমরা কয়েকদিন ধরে তাদের আসা-যাওয়ার খবর পাচ্ছিলাম। আজকে ঘটনাস্থলে গেলে তারা পালিয়ে যায়। পরে ভবনে গিয়ে বিস্ফোরক তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম দেখতে পাই। এরপর পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।'
অভিযুক্ত সাইফুল ইসলাম মামুনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। এদিকে স্থানীয় জামায়াত নেতা মাওলানা নোমান ঘটনাটিকে ষড়যন্ত্র বলে দাবি করেছেন।
নাঙ্গলকোট থানার ওসি আরিফুর রহমান বলেন, 'খবর পেয়ে যৌথবাহিনী ঘটনাস্থল থেকে জিআই পাইপসহ বিস্ফোরক তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে নিশ্চিত হওয়া যাবে সেগুলো বিস্ফোরক কি না। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং তদাষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'