অন্যদিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-সমর্থিত বাংলাদেশ আইনজীবী ঐক্য পরিষদ প্যানেল থেকে সাধারণ সম্পাদকসহ ৬ জন জয়ী হয়েছেন। আর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-সমর্থিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের প্যানেল থেকে সভাপতিসহ ৪ জন নির্বাচিত হয়েছেন।
নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান কমিশনার অ্যাডভোকেট আহমদ কবির শনিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে ভোট গণনা শেষে ফলাফল ঘোষণা করেন। ১৯০১ সালে প্রতিষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী এ পেশাজীবী সংগঠনের বর্তমান সদস্য সংখ্যা প্রায় ১ হাজার ২০০ জন।
এবারের নির্বাচনে ভোটার তালিকাভুক্ত আইনজীবীর সংখ্যা ছিল ৯৪৩ জন। সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত টানা ভোটগ্রহণ চলে। এতে ৮৮৭ জন আইনজীবী তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। সমিতির কার্যকরী কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ মোট ১৭টি পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
উল্লেখ্য, এবারই প্রথম তিনটি পৃথক প্যানেলে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। অতীতে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থিত আইনজীবীরা ঐক্যবদ্ধ প্যানেলে নির্বাচন করলেও এবার তারা আলাদাভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। অন্যদিকে, আওয়ামী লীগ সমর্থিত আইনজীবীরা দীর্ঘ বিরতির পর এবারের নির্বাচনে অংশ নিয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেন।
বিএনপি সমর্থিত প্যানেল থেকে নির্বাচিতরা হলেন: সভাপতি অ্যাডভোকেট আবদুল মান্নান, সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আবদুল্লাহ, পাঠাগার ও তথ্যপ্রযুক্তি সম্পাদক শওকত ওসমান এবং নির্বাহী সদস্য আজিজুল করিম।
জামায়াত সমর্থিত প্যানেল থেকে নির্বাচিতরা হলেন: সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আখতার উদ্দিন হেলালী, জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি আবদুল বারী, সহ-সাধারণ সম্পাদক (সাধারণ) জিয়াউদ্দিন মাহমুদ তমাল, জ্যেষ্ঠ নির্বাহী সদস্য একেএম শাহজালাল চৌধুরী ও মোহাম্মদ নেজামুল হক এবং নির্বাহী সদস্য এস এম জসিম উদ্দিন।
আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্যানেল থেকে নির্বাচিতরা হলেন: সহ-সাধারণ সম্পাদক (হিসাব) মোহাম্মদ মহিউদ্দীন, আপ্যায়ন সম্পাদক মোহাম্মদ রিদুয়ান আলী, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক নাহিদা খানম কক্সী, জ্যেষ্ঠ নির্বাহী সদস্য জিয়াউদ্দিন আহমদ ও ইকবালুর রশিদ আমিন সোহেল এবং সদস্য পদে পারভীন সুলতানা পিয়া ও সেকাব উদ্দিন।