মানববন্ধনে আটাবের সাধারণ সদস্যরা বলেন, খসড়া আইনে এমন কয়েকটি ধারা রয়েছে যা বাংলাদেশের ট্রাভেল ট্রেডের জন্য চরম ক্ষতিকর। সেগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য—
১. অফলাইন ট্রাভেল এজেন্সির জন্য ১০ লাখ টাকা জামানত রাখার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তাঁদের দাবি, ক্ষুদ্র ও মাঝারি ট্রাভেল এজেন্সিগুলোর পক্ষে তফসিলি ব্যাংকে ১০ লাখ টাকা জামানত রাখা বাস্তবসম্মত নয়। এ নিয়ম চালু হলে অসংখ্য ছোট এজেন্সি ব্যবসা গুটিয়ে ফেলতে বাধ্য হবে।
২. সদস্যদের মতে, এই ধারা কার্যক্রম সীমিত করে দেবে, সেবার মান কমাবে এবং যাত্রীদের ভোগান্তি বাড়াবে। এতে ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাবে, বেকারত্বও বাড়বে। আন্দোলনকারীরা বলেন, এটি অপ্রয়োজনীয় হয়রানি বাড়াবে। পূর্বের বিধান বহাল রাখার দাবি জানান তাঁরা।
সদস্যরা জানান, অনলাইন প্ল্যাটফর্মে অনিয়ম বন্ধে শাস্তির বিধান থাকতে পারে, তবে যেন কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি হয়রানির শিকার না হন—তা নিশ্চিত করতে হবে।