এমন কর্মকাণ্ড তরুণ যুবকদের ক্রীড়া থেকে সরিয়ে অন্য কিছুতে জড়িয়ে ফেলার অপতৎপরতা কি না—এমন চিন্তায় উদ্বিগ্ন অভিভাবক মহল।
ঐ মাদ্রাসার দশম শ্রেণির ছাত্র মো. নাঈম বলেন, ‘এই মাঠে বহুদিন ধরে আমরা খেলাধুলা করে আসছি। কিন্তু কিছু অসৎ উদ্দেশ্যের নোংরা মনের মানুষ আমাদের একমাত্র বিনোদনের স্থানটি গাছ লাগিয়ে বন্ধ করে দিয়েছেন।’
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, ‘যারা গাছ লাগিয়ে খেলার মাঠ দখল করেছেন, নিশ্চয়ই তারা অন্য মতাদর্শের মানুষ। প্রশাসনের উচিত এমন ঘটনার গভীরে খোঁজ করা, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।’
এ ব্যাপারে মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল জি এম আনোয়ার হোসেন মুঠোফোনে জানান, মাদ্রাসার খেলাধুলার মাঠে গাছ লাগিয়েছি। এতে কোনো সমস্যা হয় না। এর মধ্যেই সবাই খেলাধুলা করে।
স্থানীয় জাকির হোসেন নামের এক অভিভাবক বলেন, ‘গাছগুলো মাঠের মধ্যে লাগানোর কারণে খেলাধুলায় সমস্যা হচ্ছে। গাছগুলো মাঠের চারদিকে লাগালে আর অসুবিধা হতো না।’
স্থানীয়রা খেলার মাঠটি পুনরায় চালু করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোফাজ্জেল হোসেন জানান, গাছ লাগানোর বিষয়টি আপনাদের কাছে শুনলাম। খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে শরীয়তপুর জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ইমরুল হাসান জানান, আমি সরেজমিনে পরিদর্শনে গিয়ে বিধিমোতাবেক ব্যবস্থা নেব।
সদ্য সংবাদ/মো. সাহেদ আহমেদ