ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, ওই হামলায় খামেনির পরিবারের কয়েকজন সদস্যও নিহত হয়েছেন। একই সঙ্গে দেশটির সামরিক ও নিরাপত্তা কাঠামোর একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা প্রাণ হারিয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।
নিহতদের তালিকায় রয়েছেন:
আলী শামখানি- খামেনির ঘনিষ্ঠ নিরাপত্তা উপদেষ্টা ও প্রভাবশালী নীতিনির্ধারক।
আবদুল রহিম মৌসাভি- ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান।
আজিজ নাসিরজাদেহ- দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী।
মোহাম্মদ পাকপুর- ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) এর প্রধান।
কিছু আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম অসমর্থিত সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমেদিনেজাদও হামলায় নিহত হতে পারেন। তবে এ তথ্য এখনো নিশ্চিত হয়নি।
খামেনির মৃত্যুর পর ইরানের ক্ষমতার ভারসাম্য, সামরিক নেতৃত্ব ও আঞ্চলিক রাজনীতিতে কী পরিবর্তন আসবে তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর বিশ্লেষণ।
এদিকে পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ইসরায়েলসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে তেহরান। ফলে অঞ্চলজুড়ে নতুন করে পূর্ণাঙ্গ সংঘাতের আশঙ্কা বাড়ছে।