যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত পরিকল্পনা প্রসঙ্গে পুতিন বলেন, 'এটি কোনো খসড়া চুক্তি নয়, বরং আলোচনার জন্য প্রাথমিক কিছু বিষয়, যা ভবিষ্যতে সম্ভাব্য চুক্তির ভিত্তি হতে পারে।'
জেলেনস্কির মেয়াদ শেষ হলেও নির্বাচন না হওয়ায় কিয়েভ সরকারের বৈধতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে বলে দাবি করেন পুতিন। তবে কিয়েভ জানিয়েছে, চলমান রাশিয়ার আগ্রাসন ও সামরিক আইন পরিস্থিতিতে নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব নয়।
কিরগিজস্তান সফর শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নে পুতিন বলেন, 'রাশিয়ার অবস্থান যুক্তরাষ্ট্র বিবেচনায় নিলেও আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোচনা করা প্রয়োজন। আমাদের গুরুত্বের সঙ্গে বসে কথা বলতে হবে। প্রতিটি শব্দ এখানে গুরুত্বপূর্ণ।'
পুতিন আরও বলেন, 'ইউক্রেনীয় সেনারা দখলকৃত অঞ্চল থেকে সরে এলে যুদ্ধ থামতে পারে, না হলে রাশিয়া বলপ্রয়োগে তা বাস্তবায়ন করবে।'
যুদ্ধ বন্ধে এর আগেও দোনেৎস্ক, লুহানস্ক, খেরসন এবং জাপোরিঝিয়া অঞ্চলের পুরো অংশ থেকে সেনা প্রত্যাহার করতে বলেছিলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট। পাশাপাশি তিনি ইউক্রেনের ন্যাটোতে যোগদান বন্ধ রাখতে এবং পশ্চিমা সেনা উপস্থিতি নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়েছেলেন।
এই পরিস্থিতিতেই আগামী সপ্তাহে মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ মস্কো সফর করবেন। একই সময়ে মার্কিন সেনাবাহিনীর সচিব ড্যান ড্রিসকলের কিয়েভ সফরের সম্ভাবনাও রয়েছে।