ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামালপুর জেলার পাঁচটি সংসদীয় আসনেই দাপুটে বিজয় পেয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থীরা। প্রতিটি আসনে বড় ব্যবধানে জয় পাওয়ায় জেলায় দলটির নেতা–কর্মীদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। বৃহস্পতিবার রাতের ভোট গণনা শেষে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইউসুপ আলী বেসরকারিভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন।
জামালপুর-১ (দেওয়ানগঞ্জ–বকশীগঞ্জ):
১২৮টি কেন্দ্রে ধানের শীষ প্রতীকে এম রশিদুজ্জামান (মিল্লাত) পেয়েছেন ১ লাখ ৭২ হাজার ১১ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মো. নাজমুল হক পেয়েছেন ৯৩ হাজার ৬৬১ ভোট। ৭৮ হাজার ৪৫৪ ভোটের ব্যবধানে রশিদুজ্জামান বিজয় নিশ্চিত করেন।
জামালপুর-২ (ইসলামপুর):
১২৮টি কেন্দ্রে ধানের শীষ প্রতীকে সুলতান মাহমুদ (বাবু) পেয়েছেন ৯৫ হাজার ৩৭৮ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছামিউল হক পেয়েছেন ৬১ হাজার ৬৫৫ ভোট। ৩৩ হাজার ৭২৩ ভোটের ব্যবধানে তিনি জয় পান।
জামালপুর-৩ (মেলান্দহ–মাদারগঞ্জ):
১৫৪টি কেন্দ্রে ধানের শীষ প্রতীকে মো. মোস্তাফিজুর রহমান (বাবুল) পেয়েছেন ২ লাখ ৬ হাজার ২১৪ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী পেয়েছেন ৭৯ হাজার ৬০৭ ভোট। ১ লাখ ২৬ হাজার ৬০৭ ভোটের বিশাল ব্যবধানে মোস্তাফিজুর রহমান বিজয়ী হন।
জামালপুর-৪ (সরিষাবাড়ী):
৮৮টি কেন্দ্রে ধানের শীষ প্রতীকে মো. ফরিদুল কবীর তালুকদার (শামীম) পেয়েছেন ১ লাখ ৪৬ হাজার ৫৪৬ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী পেয়েছেন ৪৪ হাজার ১৬১ ভোট। ১ লাখ ২ হাজার ৩৮৫ ভোটের ব্যবধানে তিনি জয়লাভ করেন।
জামালপুর-৫ (সদর):
১৬১টি কেন্দ্রে ধানের শীষ প্রতীকে শাহ্ মো. ওয়ারেছ আলী (মামুন) পেয়েছেন ১ লাখ ৯৮ হাজার ২৯২ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মুহাম্মদ আবদুস সাত্তার পেয়েছেন ১ লাখ ১১ হাজার ৬৯৫ ভোট। ৮৬ হাজার ৫৯৭ ভোটের ব্যবধানে ওয়ারেছ আলী জয় পান।
পাঁচটি আসনেই বড় ব্যবধানে জয় পাওয়ায় জেলায় বিএনপির নেতা–কর্মীদের মধ্যে আনন্দ-উল্লাস ছড়িয়ে পড়ে। বিভিন্ন স্থানে মিছিল, শুভেচ্ছা বিনিময় ও মিষ্টি বিতরণ করতে দেখা গেছে দলটির সমর্থকদের।