রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, মার্কিন বাহিনীর মোতায়েন প্রক্রিয়া শেষ হতে আরও কয়েক দিন সময় লাগতে পারে। বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে ওয়াশিংটনের সামরিক উপস্থিতি গত আট মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।
ইরান থেকে সম্ভাব্য পাল্টা হামলার আশঙ্কায় ইসরায়েল অভ্যন্তরীণভাবে প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তিবৃদ্ধির অংশ হিসেবে রয়েছে বিমানবাহী রণতরি ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন, গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার, ক্রুজার এবং একাধিক যুদ্ধবিমান স্কোয়াড্রন। এছাড়া, পারস্য উপসাগরের আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা হয়েছে।
ট্রাম্প ইতোমধ্যেই জানিয়েছিলেন, একটি ‘বিশাল নৌবহর’ ইরানের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমন করতে গিয়ে বহু মানুষ নিহত ও আটক হয়েছে।
ইরান হুঁশিয়ারি দিয়েছে, মার্কিন হামলা হলে তা ‘সর্বাত্মক যুদ্ধ’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে। ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপুর জানিয়েছেন, 'তেহরান ট্রিগারে আঙুল রাখার মতো অবস্থানে রয়েছে এবং যেকোনো উসকানির পূর্ণাঙ্গ জবাব দেওয়া হবে।'
সামরিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আগামী কয়েক দিন মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সরাসরি সংঘাতে যাওয়া মানে পুরো অঞ্চলের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ভারসাম্য বিপন্ন হয়ে পড়বে।
বর্তমানে দুই দেশই অবস্থানে অনড় থাকায় কূটনৈতিক সমাধানের পথ সংকুচিত হচ্ছে। ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলো সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করছে, যা আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার ও নিরাপত্তায় নতুন অস্থিরতা সৃষ্টি করছে।
সূত্র: চ্যানেল ১২, শাফাক নিউজ