আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং প্রস্তাবিত গণভোটকে সামনে রেখে দেশব্যাপী সংগঠিত প্রচারণায় নামছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট বিজয়ী করতে দলটি সারা দেশে ২৭০ জন ‘অ্যাম্বাসেডর’ নিয়োগ দেবে।
এনসিপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সর্বশেষ বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, যেখানে সংসদীয় আসনে দলের নিজস্ব প্রার্থী থাকবেন, সেখানে গণভোটের প্রচারণা পরিচালনার দায়িত্ব সেই প্রার্থীদের।
এনসিপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সর্বশেষ বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, যেখানে সংসদীয় আসনে দলের নিজস্ব প্রার্থী থাকবেন, সেখানে গণভোটের প্রচারণা পরিচালনার দায়িত্ব সেই প্রার্থীদের।
আর যেসব আসনে প্রার্থী নেই, সেসব এলাকায় মাঠপর্যায়ে কাজের জন্য আলাদা করে ২৭০ জন অ্যাম্বাসেডর দায়িত্ব পালন করবেন। এই কার্যক্রমের সমন্বয় করবেন দলের মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
নির্বাচন ও গণভোটের প্রস্তুতি জোরদার করতে এনসিপি কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটিও পুনর্গঠন করেছে। নতুন ৩১ সদস্যের কমিটিতে চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, সেক্রেটারি হয়েছেন মনিরা শারমিন।
নির্বাচন ও গণভোটের প্রস্তুতি জোরদার করতে এনসিপি কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটিও পুনর্গঠন করেছে। নতুন ৩১ সদস্যের কমিটিতে চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, সেক্রেটারি হয়েছেন মনিরা শারমিন।
এছাড়া, কমিটিতে রয়েছেন ব্যারিস্টার ওমর ফারুক, নুসরাত তাবাসসুম জ্যোতি, তানজিল মাহমুদ, অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মুসা, হুমায়রা নূরসহ আরও ২৯ জন।
দলীয় নেতারা মনে করছেন, এই সমন্বিত কর্মসূচির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে গণভোট বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানো সম্ভব হবে এবং ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে শক্ত জনমত গড়ে তোলা যাবে।
এনসিপি আসন্ন সংসদ নির্বাচনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের সঙ্গে অংশ নেয়ারও প্রস্তুতি নিচ্ছে। প্রাথমিকভাবে প্রায় ৩০টি আসনে সমঝোতার আলোচনা হলেও চূড়ান্ত আসন বণ্টন এখনও হয়নি।
দলীয় নেতারা মনে করছেন, এই সমন্বিত কর্মসূচির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে গণভোট বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানো সম্ভব হবে এবং ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে শক্ত জনমত গড়ে তোলা যাবে।
এনসিপি আসন্ন সংসদ নির্বাচনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের সঙ্গে অংশ নেয়ারও প্রস্তুতি নিচ্ছে। প্রাথমিকভাবে প্রায় ৩০টি আসনে সমঝোতার আলোচনা হলেও চূড়ান্ত আসন বণ্টন এখনও হয়নি।
ইতোমধ্যে ৪৪টি আসনে এনসিপির প্রার্থীরা মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ ও জমা দিয়েছেন। চূড়ান্ত সমঝোতার পর দলীয় প্রার্থীরা সরে দাঁড়িয়ে জোট প্রার্থীদের পক্ষে মাঠে কাজ করবেন।