মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি জানান, সমসাময়িক বন্ধু ও পরিবারের সঙ্গে নির্বাচন নিয়ে আলাপকালে লক্ষ্য করেছেন, ‘জেনারেশন জেড’ বা বর্তমান তরুণ প্রজন্মের একটি বড় অংশ এনসিপিকে ভোট দেওয়ার কথা ভাবছিল। এর মূল কারণ ছিল পুরোনো ধারার রাজনীতির বাইরে গিয়ে নতুন কিছু করার প্রত্যাশা এবং দলের স্বতন্ত্রতা। কিন্তু জোটবদ্ধ হওয়ার পর সাধারণ ভোটারদের মধ্যে উৎসাহ কমে গেছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে অনেকেই বলছেন, 'ভাবছিলাম এনসিপিকে দেব, কিন্তু এখন চিন্তাভাবনা করতেছি।'

ফেসবুক পোস্টে তিনি আরও উল্লেখ করেন, ক্ষমতার কাছে যাওয়ার তাড়াহুড়ো ভোটারদের আস্থা হারিয়ে দিতে পারে, যা দলের দীর্ঘমেয়াদি পথচলায় বাধা সৃষ্টি করবে। তিনি বলেছেন, এটি কেবল তার ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণ, এবং সময়ের ব্যবধানের মধ্যেই প্রকৃত ফলাফল স্পষ্ট হবে।
তিনি আরো বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সক্রিয় তরুণদের একটি বড় অংশ এনসিপির রাজনৈতিক আদর্শের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করলেও সাম্প্রতিক কৌশলগত পরিবর্তনের ফলে তাদের মধ্যেও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।