ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভাইস প্রেসিডেন্ট সাদিক কায়েম বলেছেন, জুলাই বিপ্লবের অন্যতম প্রধান আকাঙ্ক্ষা ছিল ছাত্র সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে ক্যাম্পাসে গণতন্ত্রের চর্চা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা। কিন্তু জাতীয় নির্বাচনকে প্রভাবিত করার অজুহাতে শাকসু ও ব্রাকসু নির্বাচন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, যা সাধারণ শিক্ষার্থীদের ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক অধিকার খর্ব করার শামিল।
সোমবার নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব মন্তব্য করেন তিনি। সাদিক কায়েম বলেন, ডাকসু, জাকসু, রাকসুসহ অন্যান্য ছাত্র সংসদ নির্বাচন সফলভাবে সম্পন্ন হলেও শাকসু ও ব্রাকসু নির্বাচন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তাঁর মতে, দীর্ঘদিন ধরে প্রতীক্ষিত এই নির্বাচন বন্ধ করে দেওয়া শিক্ষার্থীদের ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক অধিকারের পরিপন্থী।
স্ট্যাটাসে তিনি প্রশ্ন তোলেন, শিক্ষার্থীদের ভোটে ছাত্রশিবিরের নির্বাচিত হওয়ায় ঈর্ষান্বিত কোনো মহলের রাজনৈতিক প্রভাবে নির্বাচন কমিশন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কি না—জনমনে সে প্রশ্ন ওঠাও অস্বাভাবিক নয়। তিনি আরও বলেন, একটি নিরপেক্ষ, রাজনৈতিক প্রভাব ও পক্ষপাতমুক্ত নির্বাচন কমিশনের অধীনে জাতীয় নির্বাচন প্রত্যাশিত হলেও সাম্প্রতিক একাধিক কর্মকাণ্ডে কমিশনের বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।
ডাকসু ভিপির বক্তব্য অনুযায়ী, গণতন্ত্রচর্চা বাধাগ্রস্ত করা এবং নির্দিষ্ট কোনো মহলের প্রতি পক্ষপাতমূলক অবস্থান গ্রহণ করলে দেশের ছাত্রসমাজ ও সর্বস্তরের জনগণের কাছে নির্বাচন কমিশনকে জবাবদিহি করতে বাধ্য করা হবে।
এর আগে সোমবার নির্বাচন কমিশনের নির্বাচন পরিচালনা-২ অধিশাখার উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে জানানো হয়, জাতীয় নির্বাচনের আগে ছাত্র সংসদসহ আর কোনো নির্বাচন আয়োজন করা যাবে না।