বিশ্ববাজারে আর্জেন্টিনার গরুর মাংসের চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। বাড়তি চাহিদা পূরণে দেশটি রফতানিও বাড়িয়েছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে শুল্ক সুবিধা পাওয়ার পর আর্জেন্টিনার মাংসের প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ আরও বেড়েছে।
চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসে দেশটি প্রায় ৪১ হাজার ৭৭০ টন গরুর মাংস রফতানি করেছে। যার বাজারমূল্য প্রায় ৩৪ কোটি ৮০ লাখ ডলার। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে রফতানি বেড়েছে ১৫৮ শতাংশ।
আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়াতে আর্জেন্টিনার খামারগুলোতেও এসেছে পরিবর্তন। আগে ৩০০ কেজি ওজন হলেই গরু রফতানির উপযোগী করা হতো। এখন কয়েক মাস অতিরিক্ত পরিচর্যা করে সেই গরুর ওজন ৫৫০ কেজি পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে। এ জন্য গরুকে দেওয়া হচ্ছে ভুট্টা ও সয়াবিনভিত্তিক উচ্চ পুষ্টির খাবার।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নতুন বাণিজ্য চুক্তি ও বৈশ্বিক চাহিদা বৃদ্ধির সুযোগ কাজে লাগিয়ে আর্জেন্টিনা এখন শুধু অভ্যন্তরীণ বাজার নয়, আন্তর্জাতিক বাজারেও গরুর মাংস রফতানিতে জোর দিচ্ছে।
বর্তমানে দেশটির উৎপাদিত গরুর মাংসের প্রায় ৩০ শতাংশ বিদেশে রফতানি করা হয়। বিশ্লেষকদের ধারণা, আগামী কয়েক বছরে এই হার বেড়ে ৪০ শতাংশে পৌঁছাতে পারে।
বিশ্বের অন্যতম বড় গরুর মাংস রফতানিকারক হিসেবে আর্জেন্টিনার অবস্থান আরও শক্তিশালী হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।