সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের যোগাযোগ ও প্রকাশনা বিভাগ (ডিসিপি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘বাংলাদেশের ঐতিহাসিক এবং প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা’ শীর্ষক নতুন ডিজাইন ও সিরিজের সব মূল্যমানের ব্যাংক নোট মুদ্রণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে ১০০০, ৫০০, ১০০, ৫০ ও ২০ টাকা মূল্যমানের নতুন নোট বাজারে ছাড়া হয়েছে। এবার প্রথমবারের মতো গভর্নর ড. আহসান হাবিব মনসুরের স্বাক্ষরিত ১০ টাকার নোট প্রচলনে আসছে।
নতুন ১০ টাকার নোটটির আকার ১২৩ মিলিমিটার × ৬০ মিলিমিটার। নোটের সম্মুখভাগের বাম পাশে রয়েছে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের ছবি। মাঝখানে ব্যাকগ্রাউন্ডে পাতা ও কলিসহ প্রস্ফুটিত জাতীয় ফুল শাপলার চিত্র সংযোজিত হয়েছে। নোটের পেছনভাগে মুদ্রিত রয়েছে ‘গ্রাফিতি–২০২৪’-এর ছবি। নোটটিতে গোলাপি রঙের আধিক্য লক্ষ্য করা যায়।
নোটে জলছাপ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে ‘রয়েল বেঙ্গল টাইগারের মুখ’। এর নিচে উজ্জ্বল ইলেকট্রোটাইপ জলছাপে রয়েছে ‘10’ এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম।
নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্যের অংশ হিসেবে নোটটির সম্মুখভাগের বাম পাশে ২ মিলিমিটার চওড়া নিরাপত্তা সুতা সংযোজন করা হয়েছে, যাতে ‘৳১০ দশ টাকা’ লেখা রয়েছে। আলোর বিপরীতে ধরলে লেখাটি স্পষ্ট দেখা যাবে। নোটটি নাড়াচাড়া করলে নিরাপত্তা সুতার রঙ লাল থেকে সবুজে পরিবর্তিত হয়।
এছাড়া গভর্নরের স্বাক্ষরের ডান পাশে See-Through image হিসেবে একটি বিশেষ প্যাটার্ন মুদ্রিত রয়েছে, যা আলোর বিপরীতে ধরলে ‘১০’ লেখা দৃশ্যমান হয়। নোটের সম্মুখভাগে বাংলাদেশ ব্যাংক লেখার নিচে এবং পেছনভাগের বাম দিকের গ্রিডিশ প্যাটার্নের বাইরে Microprint হিসেবে ‘BANGLADESH BANK’ লেখা সংযোজিত রয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, নতুন ডিজাইনের নোট প্রচলনের পাশাপাশি বর্তমানে চালু থাকা সব কাগজের নোট ও ধাতব মুদ্রা আগের মতোই বৈধ থাকবে।
এদিকে মুদ্রা সংগ্রাহকদের চাহিদা বিবেচনায় ১০ টাকা মূল্যমানের নমুনা নোট (যা বিনিময়যোগ্য নয়) মুদ্রণ করা হয়েছে। এসব নমুনা নোট নির্ধারিত মূল্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের টাকা জাদুঘর বিভাগ, মিরপুর থেকে সংগ্রহ করা যাবে।