একসময় স্থানীয় আওয়ামী লীগের রাজনীতির আড়ালে প্রভাব খাটিয়ে গিয়াসউদ্দিন ও তার ছয় ছেলে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল। এর মধ্যে তার বড় ছেলে সুমনই বেশিরভাগ অপরাধমূলক কার্যক্রমের নেতৃত্ব দিতেন বলে অভিযোগ জানিয়েছে স্থানীয়রা। জমি দখল, বাড়ি নির্মাণে চাঁদা দাবি, সস্তায় জমি বিক্রি করতে বাধ্য করা, এসব ছিল তার নিয়মিত কর্মকাণ্ড। অভিযোগ আছে, এসব অপকর্ম চালানোর জন্য সশস্ত্র ক্যাডার বাহিনীও ছিল তার।
৫ আগস্ট হাসিনা সরকারের পতনের পর গিয়াসউদ্দিন পরিবার আত্মগোপনে গেলেও কিছু সপ্তাহ পর সুমনকে নারায়ণগঞ্জ শহরের মিশনপাড়া, চাষাড়া ও হোসিয়ারী সমিতি এলাকায় নিয়মিত দেখা যাচ্ছে বলে বহু সূত্র নিশ্চিত করেছে।
ফতুল্লা থানা সূত্রে জানা যায়, সুমনের নামে বৈষম্যবিরোধী আইনসহ অন্তত পাঁচটির মতো মামলা রয়েছে। সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও ভূমি দখল সংক্রান্ত আরও একাধিক অভিযোগও থানায় নথিবদ্ধ আছে। গিয়াসউদ্দিন ও তার অন্যান্য ছেলের বিরুদ্ধেও মামলা রয়েছে। তবে এখনো কাউকেই গ্রেফতার করা হয়নি।
এ অবস্থায় আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন কাশীপুর ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মানুষ। তাদের অভিযোগ, পুলিশ অভিযান চালালেও এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করা সুমনকে কেন গ্রেফতার করা হচ্ছে না, তা তারা বুঝতে পারছেন না।
এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে সুমনকে গ্রেফতার করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক এবং তার আশ্রয়দাতাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিতে হবে।