অন্যদিকে, হামলার জবাবে ইরানও পাল্টা আক্রমণ জোরদার করেছে। দেশটির পক্ষ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মাধ্যমে প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা চলছে বলে জানা গেছে।
এমন উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে নতুন করে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন।
ওই কর্মকর্তা জানান, প্রথম দফার হামলার মূল্যায়ন ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। এতে ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে দুর্বল করার প্রাথমিক লক্ষ্য অর্জিত হয়েছে বলে মনে করছে ওয়াশিংটন। এখন দ্বিতীয় ধাপে দেশটির ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্র, ড্রোন সক্ষমতা এবং নৌ শক্তিকে লক্ষ্য করে বড় পরিসরে আঘাত হানার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
এদিকে সোমবার সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে হামলা আরও জোরদারের ইঙ্গিত দেন।
বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের এমন ঘোষণার ফলে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে। পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায়, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে গভীর উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।