গণমাধ্যমটি সরকারের ঘনিষ্ঠ দুইটি সূত্র থেকে জানিয়েছে, দেশটির শীর্ষ সামরিক ও নিরাপত্তা কর্মকর্তারা সম্ভাব্য হামলার ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ার পর খামেনিকে নিরাপদে রাখার জন্য এই সিদ্ধান্ত নেন। ওই স্থাপনাটি অত্যন্ত সুরক্ষিত এবং সেখানে একাধিক পরস্পর সংযুক্ত টানেল রয়েছে।
এছাড়াও সর্বোচ্চ নেতার তৃতীয় পুত্র মাসউদ খামেনি এখন তার দপ্তরের দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনা করছেন এবং সরকারের নির্বাহী শাখাগুলোর সঙ্গে যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম হিসেবে কাজ করছেন।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলার প্রস্তুতি সম্পন্নের পর্যায়ে রয়েছে। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি। হামলার সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়ার জন্য ইরানের পাল্টা হামলার প্রস্তুতিও করছে মার্কিন সেনারা।
ইসরাইলি চ্যানেল-১২-এর বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে এই আট মাসে সবচেয়ে বড় সেনা ও যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করছে যুক্তরাষ্ট্র। এতে রয়েছে রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন, গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার ও ক্রুজার, ফাইটার স্কোয়াড্রন এবং বাড়তি আকাশ ও মিসাইল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।