দুদকের দাখিল করা দুই পৃথক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন।
আবেদনে উল্লেখ করা হয়, তাপস ও তার স্ত্রী আফরিনের নামে থাকা এসব ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে যেন তদন্ত চলাকালে কোনো অর্থ উত্তোলন বা লেনদেন না করা যায়, সে কারণে কার্ডগুলোর ডেবিট কার্যক্রম ‘ব্লক’ করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।
দুদক জানিয়েছে, শেখ ফজলে নূর তাপস সংসদ সদস্য ও মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রায় ৭৩ কোটি ১৯ লাখ টাকারও বেশি সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে, যা তার জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ বলে দাবি করা হয়েছে।
এছাড়া তার নামে থাকা ২৭টি ব্যাংক হিসাবে প্রায় ৫৩৯ কোটি টাকা এবং বিপুল অঙ্কের মার্কিন ডলারের সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়ার পর দুদক মামলা করে, যার তদন্ত বর্তমানে চলমান।
অন্যদিকে, আফরিন তাপসের ক্ষেত্রে আবেদনে বলা হয়, তিনি ও তার স্বামী পরস্পর যোগসাজশে প্রায় ৬ কোটি ৪০ লাখ টাকারও বেশি সম্পদ অর্জন করেছেন, যা জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ বলে দাবি দুদকের। পাশাপাশি তার নামে থাকা নয়টি ব্যাংক হিসাবেও বিপুল পরিমাণ সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।
আফরিন তাপস যেন তার ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে টাকা তুলতে না পারেন, সেজন্য কার্ডগুলোর ডেবিট কার্যক্রম বন্ধ রাখার আদেশ চাওয়া হয় দুদকের আবেদনে।