স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, ঠিকাদার কাজটি দায়সারাভাবে সম্পন্ন করেছেন। এর ফলে আগামী বর্ষায় রাস্টায় খানাখন্দ তৈরি হতে পারে এবং প্রায় ১৫ হাজার মানুষ দীর্ঘমেয়াদি দুর্ভোগে পড়বেন।
লোহাগাড়া উপজেলা এলজিইডি কার্যালয় জানিয়েছে, ২০২০-২১ অর্থবছরে এই সড়কের ১,০৫০ মিটার উন্নয়নের জন্য ৯৩ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। কাজ পেয়েছিল স্থানীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘মেসার্স দিপু কান্তি পাল’। ২০২৪ সালের জুনে বিটুমিন ও পাথরের কার্পেটিং দিয়ে কাজ সম্পন্ন হলেও, গত বছর থেকেই সড়কের একাধিক স্থানে কার্পেটিং উঠে যাচ্ছিল।
উপজেলা প্রশাসন জানায়, সড়কটির মোট বরাদ্দের ৯ লাখ টাকা জামানত রাখা হয়েছিল। শর্ত অনুযায়ী কাজ বুঝিয়ে দেওয়ার এক বছর পর জামানত ফেরত দেওয়া হয়। তবে সড়কে কোনো সমস্যা থাকলে ঠিকাদার সেটি ঠিক করতে বাধ্য।
পদুয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান লেয়াকত আলী বলেন, '২০২৪ সালে প্রথমবারের উন্নয়নকাজের সময়ও ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল। পুনরায় সংস্কারেও অনিয়ম হয়েছে। সড়কটি শর্ত অনুযায়ী সংস্কার করা হোক।'
লোহাগাড়া এলজিইডি কার্যালয়ের উপসহকারী প্রকৌশলী মইনুল ইসলাম বলেন, 'ঠিকাদার আমাদের অনুমতি ছাড়া নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে কাজ করেছেন। সঠিকভাবে কাজ বুঝিয়ে না দিলে জামানতের টাকা ফেরত দেওয়া হবে না।'
এ বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সহযোগী জাকারিয়া বাবুল কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকার কথা অস্বীকার করেছেন। উল্লেখ্য, প্রজেক্টের মূল ঠিকাদার দিপু কান্তি পাল গত ছয় মাস আগে মারা গেছেন।