সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার ৯ নং কালিয়া হরিপুর ইউনিয়নের চরহরিপুর (উকিল মার্কেট) এলাকায় জামায়াতে ইসলামীর মেম্বার প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারণার গেট, ব্যানার ও ফেস্টুন ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে বিএনপির এক নেতার বিরুদ্ধে।
গত শনিবার (৮ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টার দিকে কালিয়া হরিপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. বাবু ইসলামের নেতৃত্বে প্রায় ১০০ থেকে ১৫০ জন লোক হকিস্টিক, চাপাতি ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে চরহরিপুর এলাকায় আসেন। এ সময় তারা জামায়াতে ইসলামীর ইউনিয়ন যুব বিভাগের সেক্রেটারি ও ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার প্রার্থী মো. শরিফুল ইসলামকে হত্যার উদ্দেশ্যে খুঁজতে থাকেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। তাকে না পেয়ে তার নির্বাচনী প্রচারণার গেট, ব্যানার ও ফেস্টুন দা দিয়ে কুপিয়ে ছিঁড়ে ফেলা হয় বলে দাবি করা হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, আমি নির্বাচনে মেম্বার প্রার্থী হিসেবে প্রচারণা চালাচ্ছি। গতকাল সন্ধ্যায় বাবু ইসলামের নেতৃত্বে লোকজন অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে এলাকায় আসে। আমি সেখানে না থাকায় তারা আমার নির্বাচনী প্রচারণার গেট, ব্যানার ও ফেস্টুন কুপিয়ে নষ্ট করে। এ ঘটনায় আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা দাবি করছি।
প্রত্যক্ষদর্শী শামিম হোসেন বলেন, হঠাৎ করে এত লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে প্রবেশ করায় এলাকায় ভীতিকর পরিস্থিতির সৃস্টি হয়। সাধারণ মানুষ আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েন। তারা নির্বাচনী প্রচারণার গেট কুপিয়ে ভাংচুর করে।
এ ব্যাপারে মুঠোফোনে মো. বাবু ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এ ঘটনার সাথে আমি কোন ভাবেই জড়িত নই। আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য আমার বিরুদ্ধে এই মিথ্যা ও বানায়াট অভিযোগ ছড়ানো হচ্ছে। কে বা কারা এ ঘটনার সাথে জড়িত আমি তার সুষ্ঠ তদন্ত দাবী করছি।
মামলা বা লিখিত অভিযোগের বিষয়ে শরিফুল ইসলাম জানান, ঘটনার পর এখনো থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। তবে রোববার (৯ আগস্ট) বিকেলে থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা বিষয়টি তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
সদ্য সংবাদ/এসআর