১৯৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। ইনিংসের প্রথম ওভারেই ফিরে যান আগের ম্যাচের হাফসেঞ্চুরিয়ান সাইফ হাসান (৮)। এরপর দ্রুতই সাজঘরে ফেরেন সৌম্য সরকারও (৮)। তবে শুরুর ধাক্কা সামলে ম্যাচে দারুণভাবে ফিরে আসেন তানজিদ হাসান তামিম ও নাজমুল হোসেন শান্ত।
তৃতীয় উইকেটে তাদের ১১০ রানের জুটি মূলত জয়ের ভিত গড়ে দেয়। আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে ৭৬ রান করেন তানজিদ তামিম, তার ইনিংসে ছিল ১০টি চার ও ৪টি ছক্কা। অন্যদিকে শান্ত খেলেন দায়িত্বশীল ইনিংস। তীব্র গরমে ক্র্যাম্পে পড়ে ঠিক ৫০ রানে অবসর নিতে হলেও দলের জয় অনেকটাই নিশ্চিত করে যান তিনি।
পরবর্তীতে তাওহিদ হৃদয় (অপরাজিত ৩০) ও অধিনায়ক মিরাজ (অপরাজিত ৮) বাকি কাজ শেষ করেন অনায়াসে। ৮৭ বল হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে বাংলাদেশ।
এর আগে বোলিংয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেন তরুণ পেসার নাহিদ রানা। তার গতিময় বোলিং ও বাউন্সারে দিশেহারা হয়ে ১৯৮ রানেই গুটিয়ে যায় নিউজিল্যান্ড। ১০ ওভারে ৩২ রান দিয়ে ৫ উইকেট শিকার করেন নাহিদ, যা তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ফাইফার।
নিউজিল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ ৮৩ রান করেন ওপেনার নিক কেলি। তবে দলের অন্য ব্যাটাররা সুবিধা করতে পারেননি। পাঁচজন দুই অঙ্কে পৌঁছালেও কেউই ২০ রানের ঘর পার করতে পারেননি।
দারুণ এই পারফরম্যান্সের জন্য ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতেন নাহিদ রানা। তার বোলিংয়েই মূলত ম্যাচের অর্ধেক কাজ সেরে ফেলে বাংলাদেশ, আর ব্যাট হাতে সেটিকে পূর্ণতা দেয় দলের ব্যাটাররা।