গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, শহীদ জিয়াউর রহমানের মাজারের স্থাপত্য নকশা যেই প্রতিষ্ঠান তৈরি করেছিল, এবারও একই প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে বেগম খালেদা জিয়ার কবর খোঁড়া ও বাঁধাইয়ের কাজ করা হচ্ছে। এর ফলে মূল নকশা ও সৌন্দর্যে কোনো ধরনের পরিবর্তন আসবে না।
বসত আর্কিটেক্ট প্রকৌশল সংস্থার প্রধান প্রকৌশলী মাসুদুর রহমান জানান, ২০০২ সালে তারা জাতীয় সংসদ ভবনের পাশে জিয়া উদ্যানে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সমাধি নতুনভাবে সংস্কার করেন। সে সময় একটি নান্দনিক ব্রিজ নির্মাণসহ পুরো সমাধি প্রাঙ্গণকে নতুন রূপ দেওয়া হয়। বর্তমানে সেই স্থাপত্যিক সৌন্দর্য অক্ষুণ্ন রেখেই শহীদ জিয়ার কবরের ঠিক পূর্ব পাশে বেগম খালেদা জিয়াকে সমাহিত করা হবে।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, '২০০২ সালে সমাধি সংস্কারের সময় বেগম খালেদা জিয়ার কবরের বিষয়ে কোনো নির্দেশনা পাওয়া যায়নি। থাকলে তখনই দুটি কবরের জন্য প্রয়োজনীয় জায়গা রেখে পরিকল্পনা করা যেত।'
তিনি আরও জানান, সম্প্রতি বেগম খালেদা জিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে শহীদ জিয়ার কবরের পাশে তাঁর কবর প্রস্তুতের অনুরোধ জানানো হলে সেই অনুযায়ী কাজ শুরু করা হয়।
মাসুদুর রহমান বলেন, 'শহীদ জিয়ার কবরের মতোই বেগম খালেদা জিয়ার কবরেও সাধারণ মার্বেল পাথর ব্যবহার করা হবে এবং একই নকশায় সবুজ ঘাসের আচ্ছাদন থাকবে। পুরো কাজেই শহীদ জিয়ার সমাধির মূল নকশা ও স্থাপত্যে কোনো পরিবর্তন আনা হবে না।'