নিহতের পিতা বলেন, 'আমার ছেলে আগে গাড়ি চালাতো। কয়েক বছর ধরে নেশায় আসক্ত হয়ে উল্টাপাল্টা চলাফেরা করে। আমি তাকে নেশা থেকে ফিরাতে বাঙ্গরা বাজার থানায় অভিযোগ করেছি, চেয়ারম্যান এর নিকটে গিয়েছি, সমাজের বিচারকদের নিকটে গিয়েছি। কিন্তু, কোন ভাবে ই তাকে নেশার জগৎ থেকে ফেরাতে পারিনি।তাকে বিয়ে করালেও নেশার কারণে তার বউটাও চলে গেছে।'
কুমিল্লা মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানাধীন রামচন্দ্রপুর উত্তর ইউনিয়ন বি চাপিতলা গ্রামের দক্ষিণ মাঠ থেকে এরশাদ মিয়া নামের এক যুবককের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত এরশাদ মিয়া (৩২) বি চাপিতলা গ্রামের আব্দুল হকের ছেলে।
নিহতের পিতা বলেন, 'আমার ছেলে আগে গাড়ি চালাতো। কয়েক বছর ধরে নেশায় আসক্ত হয়ে উল্টাপাল্টা চলাফেরা করে। আমি তাকে নেশা থেকে ফিরাতে বাঙ্গরা বাজার থানায় অভিযোগ করেছি, চেয়ারম্যান এর নিকটে গিয়েছি, সমাজের বিচারকদের নিকটে গিয়েছি। কিন্তু, কোন ভাবে ই তাকে নেশার জগৎ থেকে ফেরাতে পারিনি।তাকে বিয়ে করালেও নেশার কারণে তার বউটাও চলে গেছে।'
এ বিষয়ে জনপ্রতিনিধি মোমেন মিয়া বলেন, 'গত এক বছর পূর্বে আমি তাকে ধরে পুলিশে দিয়েছিলাম, কিন্তু সে ভালো হয়নি। এমন নৃশংস হত্যাকান্ড যারা ঘটিয়েছে তাদের বিচার দাবি করছি।'
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন মুরাদনগর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ কে এম কামরুজ্জামান।
এ বিষয়ে বাঙ্গরা বাজার থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আব্দুল কাদের বলেন, 'আমরা খবর পেয়ে বি চাপিতলা গ্রামের দক্ষিণ মাঠ থেকে এরশাদ মিয়া নামের একজনের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করেছি। তদন্ত করে এ হত্যাকান্ডের আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'