শনিবার (৭ মার্চ) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ৪ নম্বর গেটে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।
জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বলেন, 'মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবেই মানুষের মধ্যে জ্বালানি নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তবে বাস্তবে তেলের কোনো সংকট নেই। অনিশ্চিত পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে সরকার রেশনিং ব্যবস্থা চালু করেছে, যাতে মজুদ ধরে রাখা যায়। কিন্তু অনেকেই এটিকে সংকট মনে করে অতিরিক্ত তেল মজুদ করার চেষ্টা করছেন, যা অপ্রয়োজনীয়।'
তিনি বলেন, 'আমাদের কাছে পর্যাপ্ত তেল রয়েছে। পেট্রোল পাম্পগুলোতে নিয়মিত তেল সরবরাহ করা হচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকবে। তাই সারারাত লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার কোনো দরকার নেই। মানুষ পাম্পে গেলে তেল পাবে।'
পাম্প ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে তিনি জানান, প্রতিটি পাম্পকে নির্দিষ্ট পরিমাণ তেল দেওয়া হচ্ছে। কোনো পাম্প দ্রুত তেল বিক্রি করে ফেললে সেদিন নতুন করে তেল পাবে না, পরদিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। বিষয়টি নজরদারিতে রাখা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আগামীকাল থেকে ভ্রাম্যমাণ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে বলেও জানান জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী।
মোটরসাইকেলের জন্য বর্তমানে দুই লিটার করে তেলের রেশনিং চালু রয়েছে। এতে চালকদের প্রায় প্রতিদিনই পাম্পে যেতে হচ্ছে—রেশনিংয়ের পরিমাণ বাড়ানো হবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটি বাড়ানো সম্ভব নয়। কারণ যুদ্ধ পরিস্থিতি কতদিন স্থায়ী হবে তা অনিশ্চিত। তাই আগেভাগেই মজুদ ধরে রাখার কৌশল হিসেবে রেশনিং চালু রাখা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, 'যুদ্ধ কখন শেষ হবে তা আমরা জানি না। তাই আমাদের হিসাব করে চলতে হবে। তবে মজুদ থাকায় তেলের ঘাটতি হওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই।'