শারদীয় দুর্গোৎসব নির্বিঘ্ন রাখতে দেশের সীমান্তবর্তী এলাকাসহ বিভিন্ন অঞ্চলের ২ হাজার ৭২৭টি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালন করছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। উৎসবকে কেন্দ্র করে সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদারের পাশাপাশি মাদক, অবৈধ অস্ত্র ও অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিশেষ নজরদারির ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে গুজব ও সাম্প্রদায়িক উসকানি প্রতিরোধেও সতর্ক রয়েছে বাহিনীটি।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকালে বিজিবি সদর দপ্তরে আয়োজিত এক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান বাহিনীর পরিচালক (অপারেশনস) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মাহবুব মুর্শেদ রহমান।
ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, দুর্গাপূজা উপলক্ষে সীমান্তে ৪৫০ প্লাটুন বিজিবি সদস্য মোতায়েন থেকে সার্বক্ষণিক টহল দেবেন। বিশেষ করে সীমান্তসংলগ্ন পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি সীমান্ত সুরক্ষা ও পূজামণ্ডপের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে দায়িত্ব পালন করবেন বিজিবি সদস্যরা।
উৎসবকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যাতে কেউ গুজব, বিভ্রান্তিকর তথ্য কিংবা সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ ছড়াতে না পারে, সে জন্য গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে বলেও জানান বিজিবির এই কর্মকর্তা।
তিনি বলেন, নিরাপত্তা নিয়ে কোনো ধরনের উদ্বেগ বা সন্দেহজনক কার্যক্রম চোখে পড়লে তা দ্রুত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানোর মাধ্যমে সহযোগিতা করতে হবে। এ ক্ষেত্রে নাগরিকদের সচেতন ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।
এদিকে দুর্গাপূজার সুযোগ নিয়ে সীমান্ত দিয়ে মাদক ও অবৈধ অস্ত্রের অনুপ্রবেশ ঠেকাতেও বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সীমান্তজুড়ে টহল ও নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং পুশ-ইন প্রচেষ্টা প্রতিরোধে কাজ করছে বিজিবি।
সীমান্ত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও নিরাপত্তা কার্যক্রম আরও কার্যকর করতে ড্রোনসহ আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর সরঞ্জাম ব্যবহার করা হচ্ছে। উৎসব চলাকালে সীমান্তে সার্বিক নিরাপত্তা বজায় রাখা এবং যেকোনো অপতৎপরতা প্রতিরোধে বিজিবির এ তৎপরতা অব্যাহত থাকবে বলে ব্রিফিংয়ে জানানো হয়।
সদ্য সংবাদ/এসকে