শিশুদের মেধা ও সৃজনশীলতা বিকাশের পাশাপাশি নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, আজকের শিশুরাই আগামী দিনের বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেবে। তাদের বিকাশের জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে দেশের ভবিষ্যৎ আরও শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড়াবে।
মঙ্গলবার শিশু অধিকার দিবস ২০২৬ এবং বাংলাদেশ শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী জানান, শিশুদের প্রতিভা বিকাশে সরকারের পূর্ণাঙ্গ কর্মসূচি ২০২৮ সাল থেকে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিশুদের নিজেদের সক্ষমতা প্রকাশের সুযোগ করে দেওয়ার পাশাপাশি তাদের মূল্যবোধ ও মানবিক চেতনা বিকাশেও সমান গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেন তিনি।
তারেক রহমান বলেন, শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় শিক্ষিত করলেই হবে না; শিশুদের মানুষের প্রতি দায়িত্ববোধ, সহমর্মিতা ও নৈতিকতার শিক্ষা দিতে হবে। তার ভাষায়, মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন প্রজন্ম তৈরি করেই একটি মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে চান তিনি।
অনুষ্ঠানের শুরুতে বাংলাদেশ শিশু একাডেমিতে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানায় ১৫০ শিশু। পরে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে মূল অনুষ্ঠান শুরু হয়। এরপর অতিথিদের সঙ্গে আসন গ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান ডা. জুবাইদা রহমান উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এবারের অনুষ্ঠানের প্রতিপাদ্য ‘শিশুর ভবিষ্যৎ হোক সুরক্ষিত’। শিশুদের অধিকার নিশ্চিত করা, তাদের নিরাপত্তা জোরদার এবং প্রতিভা বিকাশের উপযোগী পরিবেশ তৈরির বিষয়গুলো এবারের আয়োজনের মূল গুরুত্ব হিসেবে তুলে ধরা হয়।
সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে শিশুদের জন্য আরও নিরাপদ ও সম্ভাবনাময় পরিবেশ তৈরির প্রত্যাশাও তুলে ধরা হয় অনুষ্ঠানে।
সদ্য সংবাদ/এসএস