খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলা ও গাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দায়ের করা মামলার বাদী আবুল কাশেম মিলন মারা গেছেন। তিনি যমুনা হাই ডিলাক্স পরিবহনের চেয়ারম্যান ও শ্রমিক নেতা ছিলেন।
শুক্রবার (২২ আগস্ট) রাতে ফেনী হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৭২ বছর বয়সে তার মৃত্যু হয়। অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার অবস্থার অবনতি হলে তিনি মারা যান।
পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শনিবার (২৩ আগস্ট) বাদ জোহর তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, তিন ছেলে ও দুই মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষী রেখে গেছেন।
আবুল কাশেম মিলনের মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন ফেনী জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মেজবাহ উদ্দিন খান। তিনি বলেন, মিলন ছিলেন দলের একজন নিবেদিত কর্মী। তার করা মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে। বাদীর মৃত্যু হলেও মামলার আইনি কার্যক্রম চালিয়ে যেতে কোনো বাধা নেই।
মামলাটির সূত্রপাত ২০১৭ সালের ৩১ অক্টোবরের একটি ঘটনায়। ওই দিন কক্সবাজার থেকে ঢাকায় ফেরার পথে ফেনীর মহিপাল এলাকায় খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় যমুনা পরিবহনের একটি বাসসহ বেশ কয়েকটি যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
ঘটনার প্রায় সাত বছর পর আবুল কাশেম মিলন বাদী হয়ে ফেনীর তৎকালীন পুলিশ সুপার এস এম জাহাঙ্গীর সরকার, আওয়ামী লীগ নেতা ও পুলিশ কর্মকর্তাসহ ২৮ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। এতে আরও ১০০ থেকে ১৫০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়।
পরে আদালতের নির্দেশে মামলাটির তদন্তভার দেওয়া হয় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই)। তবে মামলার তদন্ত ও বিচারিক কার্যক্রম শেষ হওয়ার আগেই মারা গেলেন এর বাদী আবুল কাশেম মিলন।
সদ্য সংবাদ/এসএস