প্রতিরক্ষা শিল্পে নিজেদের সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অস্ত্রবাজারেও শক্ত অবস্থান তৈরির দাবি করেছে ইরান। দেশটির দাবি, অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র উৎপাদনে এখন তারা অনেকটাই স্বনির্ভর এবং আন্তর্জাতিক বাজারে অস্ত্র রপ্তানিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
তেহরানে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) মুখপাত্র হোসেইন মোহেব্বি। এ সময় ইরানের সামরিক প্রযুক্তি, আকাশ প্রতিরক্ষা এবং যুদ্ধক্ষেত্রে অর্জিত সক্ষমতার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে মোহেব্বির দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংঘাতের বিভিন্ন পর্যায়ে ইরানের সামরিক বাহিনী ২৬০টিরও বেশি মার্কিন সামরিক বিমান ভূপাতিত করেছে। এসব বিমানের মধ্যে এফ-১৬, এফ-১৮ ও অত্যাধুনিক এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানও রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। তবে এ দাবির স্বাধীন যাচাই বা বিস্তারিত প্রমাণ সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়।
ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা নিয়েও বড় ধরনের দাবি করেন আইআরজিসির এই মুখপাত্র। তাঁর ভাষ্য, ইরানের অ্যারোস্পেস ফোর্স যুক্তরাষ্ট্রের অত্যাধুনিক থাড ও প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে কার্যত অকার্যকর করে দিতে সক্ষম হয়েছে।
এদিকে, ওয়াশিংটনের প্রতি কঠোর বার্তা দিয়ে মোহেব্বি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি আবারও ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক সংঘাতে জড়ানোর চেষ্টা করে, তাহলে এর জন্য দেশটিকে চরম মূল্য দিতে হবে।
সামরিক সক্ষমতা নিয়ে তেহরানের এমন বক্তব্য মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
সূত্র: আলজাজিরা
সদ্য সংবাদ/এসএস