কুমিল্লা মহানগর জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক নেতৃত্বে বড় পরিবর্তন এনেছে দলটির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। মহানগর আমির কাজী দ্বীন মোহাম্মদ ও নায়েবে আমির এমদাদুল হক মামুনের সব সাংগঠনিক পদ এবং দলের সদস্যপদ বাতিল করা হয়েছে। তবে তারা এখনো দলটির সহযোগী সদস্য হিসেবে থাকবেন।
রোববার (১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল হালিম দেশের একটি গণমাধ্যমকে এ সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করেন।
দলীয় সূত্র জানায়, গত ২৬ অক্টোবর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের বৈঠকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর ফলে কাজী দ্বীন মোহাম্মদ মহানগর আমিরের দায়িত্ব হারানোর পাশাপাশি কেন্দ্রীয় তালিকাভুক্ত রুকন পদ থেকেও বাদ পড়েছেন। একইভাবে এমদাদুল হক মামুন নায়েবে আমিরের দায়িত্ব এবং দলের রুকনিয়াত হারিয়েছেন।
কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের এ সিদ্ধান্তের পেছনে রয়েছে গত ১৪ অক্টোবর কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের কার্যালয়ে ঘটে যাওয়া সংঘর্ষ ও ভাঙচুরের ঘটনা। ওই দিন সন্ধ্যায় কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে সংঘর্ষ, ককটেল বিস্ফোরণ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এ সময় মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি মাহবুবুর রহমানের গাড়িও ভাঙচুর করা হয়।
ঘটনার কারণ ও দায় নির্ধারণে কেন্দ্রীয়ভাবে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে জামায়াতে ইসলামী। কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের বৈঠকে দুই নেতার সাংগঠনিক পদ ও সদস্যপদ বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
সিদ্ধান্তের বিষয়ে আব্দুল হালিম বলেন, কাজী দ্বীন মোহাম্মদ ও এমদাদুল হক মামুনের সব পদ বাতিল করা হয়েছে। বর্তমানে তারা দলের সহযোগী সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
সদ্য সংবাদ/এসএস