শেরপুরে কৃষির প্রতি গভীর অনুরাগ, দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও নিজস্ব প্রচেষ্টায় আমন ধানের ২৩টি জাত উদ্ভাবন করে ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার সেন্টু কুমার হাজং। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাজীবন এসএসসি পর্যন্ত হলেও কৃষিক্ষেত্রে তাঁর নিরলস সাধনা ও উদ্ভাবনী উদ্যোগ স্থানীয় কৃষিতে নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি করেছে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) শেরপুরের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ফরিদা ইয়াসমিন নালিতাবাড়ী উপজেলার নয়াবিল ইউনিয়নের চাঁদকুড়িয়া গ্রামে সেন্টু কুমার হাজংয়ের উদ্ভাবিত ধানের জাত ও কৃষি কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি তাঁর সঙ্গে কথা বলেন এবং ধানের জাত উদ্ভাবন, কৃষিকাজের অভিজ্ঞতা ও কৃষির উন্নয়নে তাঁর অবদান সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।
জানা যায়, সেন্টু কুমার হাজং নিজস্ব অভিজ্ঞতা, কৃষির প্রতি ভালোবাসা ও নিরন্তর প্রচেষ্টাকে কাজে লাগিয়ে আমন ধানের ২৩টি জাত উদ্ভাবন করেছেন । সীমিত প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার মধ্যেও কৃষিক্ষেত্রে তাঁর এই উদ্যোগ স্থানীয় পর্যায়ে সম্ভাবনাময় উদ্ভাবনের দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
কৃষির উন্নয়নে স্থানীয় পর্যায়ে উদ্ভাবনী উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। সেন্টু কুমার হাজংয়ের মতো কৃষিপ্রেমী মানুষের অভিজ্ঞতা ও প্রচেষ্টাকে যথাযথভাবে কাজে লাগানো গেলে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং নতুন জাতের সম্ভাবনা যাচাইয়ের ক্ষেত্রে ইতিবাচক সুযোগ তৈরি হতে পারে।
মাটির সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক, শ্রম ও উদ্ভাবনী প্রচেষ্টার মাধ্যমে কৃষিতে অবদান রেখে চলেছেন সেন্টু কুমার হাজং। তাঁর উদ্ভাবিত ধানের জাতগুলোর উপযোগিতা ও ফলন যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা গেলে তা স্থানীয় কৃষকদের জন্য নতুন সম্ভাবনার পথ তৈরি করতে পারে।
সদ্য সংবাদ/এসএস