ধর্মীয় পরিচয় ভিন্ন হতে পারে, তবে নাগরিক হিসেবে সবার পরিচয় বাংলাদেশি- এমন মন্তব্য করেছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি বলেছেন, ধর্মের ভিত্তিতে দেশের মানুষকে বিভক্ত করতে চান না তারা। বরং সব নাগরিকের সমান অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করাই তাদের লক্ষ্য।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে দিনাজপুরের হিলি উপজেলার চণ্ডিপুর সার্বজনীন দুর্গাপূজামণ্ডপ পরিদর্শনে গিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।
সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান- এগুলো মানুষের ধর্মীয় পরিচয়। ধর্মীয় বিশ্বাস ও মত আলাদা হলেও সবাই বাংলাদেশের নাগরিক। তাই ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে দেশকে ভাগ করার কোনো সুযোগ নেই।
তিনি আরও বলেন, কোনো নাগরিকেরই নিজেকে ছোট বা দুর্বল ভাবার কারণ নেই। দেশের সব মানুষের অধিকার সমান। সরকার সব নাগরিকের সমান অধিকার প্রতিষ্ঠায় বিশ্বাস করে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকারের বিভিন্ন সিদ্ধান্তের প্রসঙ্গ তুলে ধরে সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সরকার কঠিন সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে কে কোন দলের, কে লাভবান হবেন বা কার ক্ষতি হবে- এসব বিবেচনার পরিবর্তে দেশের মানুষের জন্য কোনটি কল্যাণকর, সেটিকেই প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, জনস্বার্থে নেওয়া সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং এ অবস্থান থেকে পিছিয়ে আসবে না।
এর আগে চণ্ডিপুর সার্বজনীন দুর্গাপূজামণ্ডপে পৌঁছালে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পক্ষ থেকে সমাজকল্যাণমন্ত্রীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জর্জ মিত্র চাকমা, সহকারী কমিশনার মেহদি ইমাম, উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফেরদৌস রহমান, সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন এবং মন্দির কমিটির নেতারা।
সদ্য সংবাদ/এসকে