দেশের পানির স্তর ধরে রাখা ও সম্ভাব্য মরুকরণের ঝুঁকি মোকাবিলায় খাল খনন এবং নদীর তীর রক্ষা বাঁধ নির্মাণে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। তাঁর দাবি, ১৯৭৭ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান খাল খনন কর্মসূচি শুরু করলেও পরবর্তী সময়ে অন্য কোনো সরকার এ বিষয়টিকে প্রয়োজনীয় গুরুত্ব দেয়নি।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) দুপুরে পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার বন্দরমনি ও বোয়ালমারী এলাকায় করতোয়া নদীর ১ হাজার ১৫০ মিটার তীর প্রতিরক্ষা কাজের উদ্বোধন শেষে এক জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন। পানি উন্নয়ন বোর্ডের পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁও জেলার নদীগুলোর টেকসই ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের প্রথম অংশের আওতায় এ কাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বন্যা ও ভূমিধসের ক্ষতি থেকে মানুষকে রক্ষা এবং পানির স্তর ধরে রাখতে খাল খননের প্রয়োজন রয়েছে। তাঁর ভাষ্য, বর্তমান সরকার এ লক্ষ্যে খাল খননের পাশাপাশি নদীর তীর রক্ষা বাঁধ নির্মাণের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।
পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা নিয়ে তিনি বলেন, পানির স্তর ধরে রাখতে বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও তথ্য সংগ্রহের ভিত্তিতে খাল খনন এবং পানি সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এ সময় প্রতিমন্ত্রী রাজনৈতিক বিরোধিতার বিষয়েও বক্তব্য দেন। তিনি দাবি করেন, সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচিকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে বিরোধীরা নানা ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড করছে।
এদিকে প্রকল্প এলাকায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় আচার পালনের জন্য বারুণী স্নানঘাট নির্মাণের কথাও জানান তিনি। তাঁর মতে, ঘাটটি নির্মাণ হলে সেখানে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা নির্বিঘ্নে ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করতে পারবেন।
অনুষ্ঠানে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও স্থানীয় উপকারভোগীরা উপস্থিত ছিলেন।
সদ্য সংবাদ/এসকে