বাংলা নববর্ষের এই বিশেষ দিনে গ্রামবাসী, তরুণ-তরুণীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ একত্রিত হয়ে মিলনমেলায় পরিণত হয় আয়োজনটি। পুরো এলাকা জুড়ে ছিল উৎসবের আমেজ, হাসি-আনন্দ আর ভ্রাতৃত্ববোধের অনন্য প্রকাশ।
আয়োজনে অংশগ্রহণকারীদের জন্য পরিবেশন করা হয় ঐতিহ্যবাহী বাঙালি খাবার, যা সবার মাঝে বাড়িয়ে তোলে নববর্ষের আনন্দ। উপস্থিত অতিথিরা আয়োজকের এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেন, 'এ ধরনের আয়োজন সমাজে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।'
ফারুক আহমেদ বাদশা জানান, বাংলা নববর্ষকে ঘিরে সবাইকে একসঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করার লক্ষ্যেই এ আয়োজন করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
উৎসবমুখর এই ভোজন আয়োজন নতুন বছরের শুরুতেই এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দ ও ঐক্যের বার্তা পৌঁছে দিয়েছে।