বার্তাসংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে আকাশসীমা বন্ধ ঘোষণা করে। এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ) তাদের ওয়েবসাইটে একটি নোটিশ প্রকাশ করে। তবে সরকারি অনুমোদন সাপেক্ষে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের আগমন ও বহির্গমন এই নিষেধাজ্ঞার বাইরে রাখা হয়।
ফ্লাইট ট্র্যাকিং সেবা ফ্লাইটরাডার২৪ জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় অনুযায়ী রাত ১০টার কিছু আগে সংশ্লিষ্ট নোটিশ প্রত্যাহার করা হয়। এর পরপরই ধাপে ধাপে ইরানের বিভিন্ন এয়ারলাইনসের ফ্লাইট পুনরায় চালু হয়। মাহান এয়ার, ইয়াজদ এয়ারওয়েজ ও এভিএ এয়ারলাইনসের মোট পাঁচটি ফ্লাইট প্রথম দফায় আকাশে ওঠে।
ফ্লাইটরাডার২৪-এর তথ্য অনুযায়ী, আকাশসীমা বন্ধের ঠিক আগের সময়ে ইরানের আকাশে ডজনখানেক বাণিজ্যিক বিমান চলাচল করছিল। ফলে হঠাৎ এই সিদ্ধান্তের প্রভাব তাৎক্ষণিকভাবে বৈশ্বিক বিমান চলাচলে পড়ে।
প্রসঙ্গত, ইরানে বর্তমানে সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় সরকারবিরোধী বিক্ষোভ চলমান। এই অস্থির পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র কী ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারে, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে জল্পনা চলছিল। এমন প্রেক্ষাপটেই নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কথা মাথায় রেখে সাময়িকভাবে আকাশসীমা বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয় তেহরান।