ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি ও স্থানীয় অস্ট্রেলীয় গণমাধ্যম এবিসির বরাতে জানানো হয়েছে, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণেই এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। ফায়ার রেসকিউ ভিক্টোরিয়ার ডেপুটি কমিশনার মিশেল কাউলিং জানান, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিকের দিকে যাচ্ছে।
তবে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত ডিজেল বা পেট্রোল উৎপাদনে বড় কোনো বিঘ্নের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ফলে আপাতত জ্বালানি বাজারে সরাসরি বড় প্রভাব পড়েনি।
অস্ট্রেলিয়ার জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস বোয়েন ঘটনাটিকে “ইতিবাচক নয়” মন্তব্য করে বলেন, 'শোধনাগারের উৎপাদন সক্ষমতা কতটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তা এখনই নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়। তবে দীর্ঘমেয়াদে এর প্রভাব পড়তে পারে।'
অস্ট্রেলিয়া বর্তমানে তার পরিশোধিত জ্বালানির ৮০ শতাংশেরও বেশি বিদেশ থেকে আমদানি করে, যার বড় অংশ আসে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো থেকে। এসব সরবরাহ আবার বৈশ্বিক তেলবাজার ও মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল।
দেশটির জ্বালানি বিশ্লেষকরা বলছেন, দেশের মাত্র কয়েকটি সচল শোধনাগারের মধ্যে একটি বড় স্থাপনায় এই ধরনের দুর্ঘটনা ঘটায় অভ্যন্তরীণ জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হতে পারে।