মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়ামে নির্বাচন কমিশনের উদ্যোগে আয়োজিত এক সম্মেলনে এসব দাবি তুলে ধরেন এসপিরা। সম্মেলনে জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার, সব রেঞ্জের ডিআইজি, বিভাগীয় কমিশনার ও আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তারা অংশ নেন।
পুলিশ সুপাররা বলেন, 'নিয়মিত অভিযানের মাধ্যমে আসামি গ্রেপ্তার ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করা হলেও মাঠ পর্যায়ে যানবাহন ও জনবল সংকট রয়েছে। নির্বাচনের সময় এই সংকট আরও প্রকট হবে। একই দিনে একাধিক নির্বাচন হলে তা বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।'
এ সময় এসপিরা জানান, নির্বাচনের দিন অসুস্থ ও প্রতিবন্ধী ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে সহযোগিতা করতে পুলিশকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। এ কাজে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির কর্মীদের যুক্ত করার সুপারিশ করেন তারা। পাশাপাশি অতীতের তুলনায় এবারের নির্বাচনে পুলিশের জন্য বরাদ্দ বাজেট বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন।
মাঠ পর্যায়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি পুলিশের ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দেওয়ার দাবিও জোরালোভাবে উত্থাপন করা হয় সম্মেলনে।
অন্যদিকে, জেলা প্রশাসকরা বলেন, এখনো মাঠ পর্যায়ে যে বৈধ অস্ত্র রয়েছে, সেগুলো দ্রুত উদ্ধার করতে পুলিশের সহযোগিতা প্রয়োজন। দুর্গম ও দূরবর্তী এলাকায় যাতায়াতের জন্য হেলিকপ্টার ব্যবহারের সুপারিশ করেন তারা।
ডিসিরা আরও জানান, এআই প্রযুক্তি ও অপতথ্য প্রচার নির্বাচনের বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় প্রশাসন দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে এবং আইনের বাইরে কোনো কাজ করা হবে না। অনেক উপজেলায় যানবাহন পুড়ে যাওয়ায় নতুন গাড়ির প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন তারা।
এছাড়া গণভোট বা নির্বাচনী প্রচারের জন্য সময় বাড়ানো, সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে নিরাপত্তা জোরদারের দাবিও উঠে আসে সম্মেলনে।