ভূমি অফিস সূত্রে জানা যায়, জমির খারিজ ও খাজনা সংক্রান্ত কাজে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে পাঁচ-ছয়জন ক্ষুব্ধ সেবাগ্রহীতা তাকে ঘিরে ধরেন। এ সময় অফিসজুড়ে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় এবং একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খালেদ বিন মনসুর। পরিস্থিতির অবনতি এড়াতে তিনি সহকারী নায়েব শামসুদ্দোহা রিপনকে সেখান থেকে উদ্ধার করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নিয়ে যান।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর ভূমি অফিসে বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে তোপের মুখে পড়েছেন সহকারী নায়েব শামসুদ্দোহা রিপন।
সোমবার (২০ এপ্রিল) সকালে উপজেলা ভূমি অফিসে এ ঘটনা ঘটে।
ভূমি অফিস সূত্রে জানা যায়, জমির খারিজ ও খাজনা সংক্রান্ত কাজে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে পাঁচ-ছয়জন ক্ষুব্ধ সেবাগ্রহীতা তাকে ঘিরে ধরেন। এ সময় অফিসজুড়ে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় এবং একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খালেদ বিন মনসুর। পরিস্থিতির অবনতি এড়াতে তিনি সহকারী নায়েব শামসুদ্দোহা রিপনকে সেখান থেকে উদ্ধার করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নিয়ে যান।
এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খালেদ বিন মনসুর বলেন, 'সে আসার পর আমরা তাকে অফিস থেকে বের করে দিয়েছি।'
স্থানীয়রা কেন তাকে আটক করেছিলেন—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, 'লিখিত অভিযোগ পেলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” তিনি আরও জানান, তাকে জেলা প্রশাসক (ডিসি) কার্যালয়ে হস্তান্তর করা হয়েছে।'
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) খারিজ সংক্রান্ত ঘুষ নেওয়ার অভিযোগের তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে তিন সাংবাদিককে তালাবদ্ধ করে রাখার অভিযোগ ওঠে।
অভিযোগ রয়েছে, জমির নামজারি করতে আসা এক ব্যক্তির কাছে ৪০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করা হয়। বিষয়টি ধারণ করতে গেলে সাংবাদিকদের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে তাদের প্রায় এক ঘণ্টা অফিসে আটকে রাখা হয়।
এ ঘটনায় কয়েকজন সেবাগ্রহীতাও অফিসের ভেতরে আটকা পড়েন। পরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে তাদের মুক্ত করা হয়।
ঘটনার পর সহকারী নায়েব শামসুদ্দোহা রিপনকে ‘স্ট্যান্ড রিলিজ’ করা হলেও অভিযুক্ত অফিস সহায়ক হাবিবুর রহমান এখনও বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এতে ক্ষোভ বাড়ছে স্থানীয়দের মধ্যে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সমান ব্যবস্থা না নেওয়ায় উপজেলা জুড়ে সমালোচনার ঝড় বইছে এবং বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
সদ্য সংবাদ/মমিনুল হক রুবেল