চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় এক শিশুসহ পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও চারজন। মহাসড়কের পাশে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে থেমে থাকা একটি বাসের যাত্রীরা দ্রুতগতির লরির চাপায় হতাহত হন।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে সীতাকুণ্ডের বড় কুমিরা এলাকায় কিং অব কুমিরা কনভেনশন হলের দক্ষিণ পাশে দুর্ঘটনাটি ঘটে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রাম থেকে নেত্রকোনাগামী একটি যাত্রীবাহী বাস পথে যান্ত্রিক সমস্যায় পড়লে মহাসড়কের পাশে থামানো হয়। বাস মেরামতের জন্য যাত্রীরা নেমে সড়কের পাশে অপেক্ষা করছিলেন। এ সময় ঢাকামুখী একটি দ্রুতগতির লরি তাদের ওপর উঠে গেলে হতাহতের ঘটনা ঘটে।
দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই কয়েকজনের মৃত্যু হয়। গুরুতর আহতদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে আরও একজন মারা যান। পরে আহত চারজনকে উদ্ধার করে একই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
নিহতদের মধ্যে নেত্রকোনার ছয় বছর বয়সী শিশু ইব্রাহিম ও স্বপ্না নামে এক নারীর পরিচয় জানা গেছে। অন্য নিহতদের পরিচয় শনাক্তে কাজ করছে পুলিশ।
ফায়ার সার্ভিসের কুমিরা স্টেশনের ফাইটার মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম জানান, বাসটি বিকল হয়ে সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকার সময় মেরামতের কাজে ব্যস্ত ছিলেন সংশ্লিষ্টরা। তখন লরিটি সড়কের পাশে অবস্থানরত যাত্রীদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলে তিনজন নিহত হন। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও দুজনকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
দুর্ঘটনার পর হতাহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। ঘটনার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যক্রম ও নিহতদের পরিচয় শনাক্তের প্রক্রিয়া চলছে।
সদ্য সংবাদ/এসএস