আসামিপক্ষের আইনজীবী মহি উদ্দিন চৌধুরী বলেন, 'অভিযোগ গঠনের পর্যায়ে আমরা আদালতের কাছে অব্যাহতির আবেদন করি। আদালত যুক্তি বিবেচনায় নিয়ে আমাদের আবেদন গ্রহণ করেছেন।'
অব্যাহতি পাওয়া উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন— বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও ঢাকা-১২ আসনের বিএনপি প্রার্থী সাইফুল আলম নিরব, বিএনপি যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইসহাক সরকার, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের আহ্বায়ক খন্দকার এনামুল হক এনাম, ঢাকা-১৮ আসনের বিএনপি প্রার্থী ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন হাসান, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সফু, বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ঢাকা- ৯ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সেক্রেটারি হাবিবুর রশিদ হাবিব।
মামলার বিবরণে জানা গেছে, পুলিশের কাজে বাধা প্রদান ও ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগে ২০১৩ সালের মার্চ মাসে পল্টন মডেল থানায় একটি মামলা করেন উপপরিদর্শক মেহেদী মাকসুদ। একই বছরের ২৬ মার্চ ওই মামলায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।
এছাড়া একই ধরনের অভিযোগে ২০১৩ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি শাহজাহানপুর থানায় আরেকটি মামলা দায়ের করা হয়। ওই মামলায় ২০ মার্চ বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়সহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়।
এর আগে উচ্চ আদালত থেকে এই দুই মামলায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং প্রয়াত ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ অব্যাহতি পান।