আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, গত দুই সপ্তাহে হলের বেশ কয়েকজন ছাত্রী পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে বুধবার হল প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করেন তারা। এ সময় শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় আলাদা কোনো বাজেট রয়েছে কি না জানতে চাইলে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা জানান, এ খাতে নির্দিষ্ট কোনো বাজেট নেই। এর পরই ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভে নামেন।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, হলের পানির ট্যাংক পরিষ্কারের পর থেকেই পানিতে ব্লিচিং পাউডারের তীব্র গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। মুখ ধোয়া, কুলি করা কিংবা গোসলের সময়ও ওই গন্ধে অনেকের বমিভাব হচ্ছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী ডায়রিয়া ও বমির উপসর্গ নিয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন বলেও জানান তারা।
ভুক্তভোগী এক শিক্ষার্থী জানান, গুরুতর অসুস্থ হওয়ার পর সাহায্য পাওয়াও কঠিন হয়ে পড়ে, কারণ তখন অনেকেই অসুস্থ ছিলেন। পরে বন্ধুরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতাল থেকে দেওয়া ওষুধ হল-সংশ্লিষ্ট মেডিকেল সেবাকেন্দ্রে পাওয়া যায়নি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই হলের পানির মান নিয়ে উদ্বেগ থাকলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। দ্রুত সমস্যার সমাধান না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তারা।
এ বিষয়ে কুয়েত মৈত্রী হলের প্রভোস্ট ড. মাহবুবা সুলতানা গণমাধ্যমকে বলেন, 'হলের শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য খাতে আলাদাভাবে কোনো বাজেট নেই। এ বক্তব্যের প্রতিক্রিয়াতেই মূলত শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভে নেমেছেন।'