ল্যাভরভ বলেন, 'রাশিয়া চীনের জ্বালানি ও সম্পদের ঘাটতি পূরণে সক্ষম এবং পারস্পরিক লাভজনক সহযোগিতার ভিত্তিতে আগ্রহী সব দেশের জন্য মস্কোর দরজা খোলা। বর্তমান পরিস্থিতিতে রাশিয়া-চীন সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এই কৌশলগত অংশীদারিত্ব অটুট থাকবে।'
মার্কিন অবরোধের কারণে ইরানের বন্দরগুলো থেকে তেল সরবরাহ কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে ইরানের অন্যতম বৃহৎ ক্রেতা চীন জ্বালানি সংকটে পড়েছে, যা দেশটির শিল্প ও অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
এ প্রসঙ্গে ল্যাভরভ বলেন, 'রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং শি জিনপিংয়ের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক দুই দেশের সহযোগিতাকে আরও শক্তিশালী করেছে। বৈশ্বিক চাপ বা পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা এই সম্পর্ক দুর্বল করতে পারবে না।'
বিশ্লেষকদের মতে, রাশিয়া যদি চীনের জ্বালানি ঘাটতি পূরণে সফল হয়, তবে তা আন্তর্জাতিক বাজারে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কার্যকারিতা কমিয়ে দিতে পারে। পাশাপাশি এশিয়ায় রাশিয়ার প্রভাবও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেতে পারে।
বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা ও আন্তর্জাতিক সমুদ্রপথে অস্থিরতার প্রভাব বিশ্ব অর্থনীতিতে পড়ছে। এই প্রেক্ষাপটে রাশিয়া ও চীন একে অপরের গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।