কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাধর্মী সংগঠন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা সংসদ (কুবিগস)-এর উদ্যোগে “বায়োইনফরমেটিক্স: বেসিক্স টু অ্যাপ্লিকেশনস” শীর্ষক একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের হলরুমে এ সেমিনার আয়োজন করা হয়।
সেমিনারে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডন অব বায়োইনফরমেটিক্স লিমিটেড (ডিওবি)-এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এস কে ফয়সাল আহমেদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. জান্নাতুল ফেরদৌস।
প্রধান বক্তা এস কে ফয়সাল আহমেদ তার বক্তব্যে বায়োইনফরমেটিক্সের মৌলিক ধারণা থেকে শুরু করে এর ব্যবহারিক প্রয়োগ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তিনি ডন অব বায়োইনফরমেটিক্স লিমিটেড প্রতিষ্ঠার অভিজ্ঞতা তুলে ধরার পাশাপাশি বর্তমান বিশ্বে বায়োইনফরমেটিক্সের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করেন। এ সময় তিনি পারসোনালাইজড মেডিসিন, মলিকুলার বায়োলজি, ভ্যাকসিন উন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বায়োইনফরমেটিক্সের ভূমিকা তুলে ধরেন। পাশাপাশি ফার্মাকোজিনোমিক্স ও ফার্মাকোপ্রোটিওমিক্স বিষয়ে আলোচনা করেন এবং লিভার ক্যান্সারের বিরুদ্ধে ওষুধ আবিষ্কারে তাদের প্রতিষ্ঠানের সাফল্যের গল্প শোনান।
সেমিনার শেষে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে একটি সংক্ষিপ্ত কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। এতে প্রথম স্থান অর্জন করেন ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থী মেহরিন নাহার সাদিয়া, দ্বিতীয় হন নাজমুল হুদা শাওন এবং তৃতীয় হন সোহাগ রয়।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ফার্মেসি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, “নতুন ওষুধ উদ্ভাবন ও রোগ নির্ণয়ে বায়োইনফরমেটিক্সের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হলে শিক্ষার্থীদের অবশ্যই এই বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করতে হবে।”
কুবিগসের সাংগঠনিক সম্পাদক আল মাসুম হোসেন বলেন, “আজকের ‘বায়োইনফরমেটিক্স: বেসিক্স টু অ্যাপ্লিকেশনস’ শীর্ষক সেমিনারের মাধ্যমে আমরা বায়োইনফরমেটিক্সের মৌলিক ধারণা থেকে শুরু করে এর ব্যবহারিক ও গবেষণাভিত্তিক দিকগুলো সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা লাভ করেছি। এই জ্ঞান আমাদের ভবিষ্যৎ একাডেমিক ও গবেষণার পথচলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”
তিনি আরও বলেন, “সেমিনারের অংশ হিসেবে আয়োজিত কুইজ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী সকল শিক্ষার্থীকে ধন্যবাদ জানাই। শিক্ষার্থীদের আগ্রহ ও সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রমাণ করে যে বায়োইনফরমেটিক্স বিষয়ে আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে।”