দুপুরের পর থেকেই মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ সংলগ্ন জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠানস্থলে আমন্ত্রিত অতিথিদের আগমন লক্ষ্য করা যায়। নির্ধারিত আমন্ত্রণপত্র ছাড়া কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।
সাবেক প্রধান বিচারপতি সৈয়দ জে আর মোদাচ্ছির হোসেনের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই নাগরিক শোকসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত রয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এ সময় তার সঙ্গে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন তার স্ত্রী জুবাইদা রহমান, কন্যা জাইমা রহমান, বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শামিলা রহমানসহ বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতারা।
শোকসভায় বাংলাদেশে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদেরও উপস্থিত থাকতে দেখা গেছে। আয়োজক সূত্র জানায়, বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন, গণতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনে তার আপসহীন ভূমিকা এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় তার অবদান নিয়ে দেশের বরেণ্য ব্যক্তিরা বক্তব্য রাখবেন। বক্তারা মরহুমার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, নেতৃত্ব ও ত্যাগের নানা দিক তুলে ধরবেন।
বক্তব্য পর্ব শেষে বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে।
অনুষ্ঠানস্থলের সার্বিক নিরাপত্তায় পর্যাপ্ত সংখ্যক স্বেচ্ছাসেবক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ৩০ ডিসেম্বর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। পরদিন রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাকে জিয়া উদ্যানে দাফন করা হয়।