কেরানীগঞ্জের মুক্তিরবাগ এলাকায় একটি ফ্ল্যাট থেকে মা ও মেয়ের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতরা রোকেয়া রহমান এবং তার ১৪ বছরের মেয়ে ফাতেমা। পুলিশ বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাত ৯টার দিকে শামিম মিয়ার মালিকানাধীন পাঁচতলা ভবনের দ্বিতীয় তলার ফ্ল্যাট থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে। রোকেয়ার মরদেহ খাটের নিচে এবং মেয়ের মরদেহ বাথরুমের ছাদের ওপর পাওয়া যায়।
কেরানীগঞ্জে একটি ফ্ল্যাট থেকে মা রোকেয়া রহমান ও তার মেয়ে ফাতেমার (১৪) অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাত ৯টার দিকে কেরানীগঞ্জের মুক্তিরবাগ এলাকায় অবস্থিত পাঁচতলা ভবনের দ্বিতীয় তলার একটি ফ্ল্যাট থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে। রোকেয়ার মরদেহ খাটের নিচে এবং মেয়ের মরদেহ বাথরুমের ছাদের ওপর পাওয়া যায়।
স্থানীয়রা জানান, গত কয়েকদিন ধরে ফ্ল্যাটের আশপাশ থেকে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছিল। বৃহস্পতিবার বিকাল থেকে দুর্গন্ধ আরও বেড়ে যায়। পরবর্তীতে বিষয়টি পুলিশকে অবগত করা হলে পুলিশ ফ্ল্যাটে প্রবেশ করে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে।
পুলিশ ধারণা করছে, প্রায় ২২ দিন আগে হত্যার পর মরদেহ দুটি লুকানো হয়েছিল।
পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনায় ফ্ল্যাটের বাসিন্দা গৃহশিক্ষিকা নুসরাত মিম (২৪), তার স্বামী হুমায়ুন (৩০) এবং দুই শিশু নুরজাহান (১৫) ও মাহিকে (১১) জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে।
নিহত রোকেয়ার স্বামী ও আইনজীবীর সহকারী শাহিন মিয়া জানান, তার স্ত্রী ও মেয়ে ২৫ ডিসেম্বর থেকে নিখোঁজ ছিলেন। পরে ২৬ ডিসেম্বর কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন।
স্বর্ণালঙ্কারের লোভেই এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।
কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম সাইফুল আলম বলেন, 'ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। খুব শিগগিরই হত্যাকারীদের শনাক্ত করা হবে।'