র্যাব ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দুপুরে শিশুটির মা-বাবা বাসায় ছিলেন না। এই সুযোগে প্রতিবেশী যুবক শাহ পরান শিশুটিকে চকলেট কিনে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বাসা থেকে বের করে নিয়ে যান। পরে ঝিলমিল আবাসন এলাকায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে তিনি একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় ওঠেন। অটোরিকশাচালক মো. রাকাত হোসেন (৩৮) জানান, রিকশায় ওঠার পর থেকেই যুবকের আচরণ এবং কথাবার্তা তার কাছে সন্দেহজনক মনে হয়।
ঢাকার কেরানীগঞ্জে চকলেটের লোভ দেখিয়ে চার বছরের এক শিশুকে নির্জন স্থানে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। তবে এক অটোরিকশাচালকের সময়োপযোগী বুদ্ধিমত্তা ও তৎপরতায় রক্ষা পেয়েছে শিশুটি। এই ঘটনায় শাহ পরান (২৪) নামের এক যুবককে হাতেনাতে আটক করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-১০)।
শনিবার (২৩ মে) দুপুরে কেরানীগঞ্জের ঝিলমিল আবাসন প্রকল্পের একটি নির্জন ঝোপের ভেতর থেকে শিশুটিকে উদ্ধার এবং অভিযুক্ত যুবককে আটক করা হয়। আটক শাহ পরান পটুয়াখালী জেলার শেখহাটি এলাকার বাসিন্দা। তিনি ও ভুক্তভোগী শিশুর পরিবার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের শুভাঢ্যা ইউনিয়নের ঝাউবাড়ি এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন।
র্যাব ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দুপুরে শিশুটির মা-বাবা বাসায় ছিলেন না। এই সুযোগে প্রতিবেশী যুবক শাহ পরান শিশুটিকে চকলেট কিনে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বাসা থেকে বের করে নিয়ে যান। পরে ঝিলমিল আবাসন এলাকায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে তিনি একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় ওঠেন।
অটোরিকশাচালক মো. রাকাত হোসেন (৩৮) জানান, রিকশায় ওঠার পর থেকেই যুবকের আচরণ এবং কথাবার্তা তার কাছে সন্দেহজনক মনে হয়।
তিনি বলেন, 'আমার সন্দেহ হওয়ায় আমি তাদের ঝিলমিল এলাকায় নামিয়ে দিয়ে চলে না গিয়ে একটু দূরে অপেক্ষা করতে থাকি। কিছুক্ষণের মধ্যেই যুবকটি শিশুটিকে নিয়ে রাস্তার পাশের একটি নির্জন ঝোপের আড়ালে চলে যায়। এর পরপরই সেখান থেকে শিশুটির কান্নার শব্দ শুনতে পাই।'
কান্নার আওয়াজ শুনে রাকাত হোসেন আর দেরি না করে বিষয়টি কাছাকাছি টহলরত র্যাব-১০ এর একটি টিমকে জানান। খবর পেয়ে র্যাব সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে শিশুটিকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করেন এবং অভিযুক্ত শাহ পরানকে আটক করেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান, ঘটনাটি তারা অবগত হয়েছেন। আসামি বর্তমানে র্যাবের হেফাজতে রয়েছে। তাকে থানায় হস্তান্তর করার প্রক্রিয়া চলছে। র্যাব ও ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর এই বিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।