২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে তীব্র ছাত্র-যুব আন্দোলনের মুখে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলির নেতৃত্বাধীন সরকার পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়। সেই আন্দোলনের মূল শক্তি ছিল নেপালের তরুণ প্রজন্ম বা ‘জেন জি’।
এই নির্বাচনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলির দল নেপাল কমিউনিস্ট পার্টি (ইউএমএল), গগণ থাপার নেতৃত্বাধীন নেপালি কংগ্রেস এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী পুস্প কামাল দহলের মাওবাদী দল।
নির্বাচনের সবচেয়ে আলোচিত আসন ঝাপা-৫। দীর্ঘদিন ধরে এই আসনকে নিজের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে ধরে রেখেছিলেন কেপি শর্মা অলি।
নেপালের রাজনীতিতে বরাবরই ভারত ও চীনের প্রভাব একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিশ্লেষকদের মতে, কেপি শর্মা অলি অথবা পুস্প কামাল দহলের নেতৃত্বাধীন সরকার সাধারণত চীনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখে।
নেপালের নির্বাচন নিয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য করেনি ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তবে দিল্লি জানিয়েছে, প্রতিবেশী দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি তারা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করছে—বিশেষ করে যেসব ঘটনা ভারতের নিরাপত্তা ও জাতীয় স্বার্থকে প্রভাবিত করতে পারে।
বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, এবারের নির্বাচনেও কোনো দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে না। ফলে জোট সরকার গঠনের সম্ভাবনাই বেশি।