ইরানজুড়ে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বাহিনীর সামরিক অভিযানে দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম। রাষ্ট্রীয় মিডিয়ার খবরে বলা হয়, শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ভোর থেকে একাধিক সামরিক ও কৌশলগত স্থাপনায় একযোগে হামলা চালানো হয়। এতে খামেনিসহ দেশের শীর্ষ পর্যায়ের বেশ কয়েকজন সামরিক ও রাজনৈতিক কর্মকর্তা নিহত হন।
ইরানজুড়ে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বাহিনীর সামরিক অভিযানে দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম।
রাষ্ট্রীয় মিডিয়ার খবরে বলা হয়, শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ভোর থেকে একাধিক সামরিক ও কৌশলগত স্থাপনায় একযোগে হামলা চালানো হয়। এতে খামেনিসহ দেশের শীর্ষ পর্যায়ের বেশ কয়েকজন সামরিক ও রাজনৈতিক কর্মকর্তা নিহত হন।
এর আগে ইসরায়েল দাবি করে, তাদের অভিযানে ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী এবং ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) প্রধানও নিহত হয়েছেন।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসির লাইভ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, যৌথ হামলায় অন্তত ৪০ জন শীর্ষ কর্মকর্তা প্রাণ হারিয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
খামেনির মৃত্যুর খবর প্রকাশের পর আইআরজিসি এক বিবৃতিতে কঠোর প্রতিক্রিয়া জানায়।
বিবৃতিতে বলা হয়, ইরানের ইতিহাসে সবচেয়ে ধ্বংসাত্মক অভিযান শুরু করা হবে শিগগিরই। অধিকৃত অঞ্চল ও আমেরিকান সামরিক ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে এই অভিযান পরিচালিত হবে বলেও জানানো হয়। আইআরজিসি জানিয়েছে, 'কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ শুরু হবে।'
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন, ইরানে সরকার পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকবে। এই সামরিক অভিযানের নাম দিয়েছে 'লায়ন্স রোয়ার' বা ‘সিংহের গর্জন’।
এ ঘটনার পর মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। আন্তর্জাতিক মহল পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং সম্ভাব্য বৃহত্তর সংঘাতের আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে। খামেনির মৃত্যুর পর ইরানের নেতৃত্বে কে আসবেন—তা নিয়েও জোর আলোচনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক অঙ্গনে।