ইরানে চলমান বড় সরকারবিরোধী বিক্ষোভের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হস্তক্ষেপের আশঙ্কায় সতর্ক অবস্থানে রয়েছে ইসরায়েল। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তিনজন ইসরায়েলি সূত্র।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি একাধিকবার ইরানের পরিস্থিতি নিয়ে হস্তক্ষেপের ইঙ্গিত দিয়েছেন এবং দেশটির শাসকগোষ্ঠীকে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে বলপ্রয়োগ না করার সতর্কতা দিয়েছেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি একাধিকবার ইরানের পরিস্থিতি নিয়ে হস্তক্ষেপের ইঙ্গিত দিয়েছেন এবং দেশটির শাসকগোষ্ঠীকে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে বলপ্রয়োগ না করার সতর্কতা দিয়েছেন।
গত শনিবার (১০ জানুয়ারি) ট্রাম্প বলেন, 'যুক্তরাষ্ট্র সহায়তা করতে প্রস্তুত।'
ইসরায়েলি নিরাপত্তা সংক্রান্ত একটি বৈঠকে অংশ নেওয়া সূত্রগুলো জানান, দেশটি উচ্চ সতর্কতায় রয়েছে। তবে এই সতর্কতা বাস্তবে কিভাবে প্রয়োগ হচ্ছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
ইসরায়েলি নিরাপত্তা সংক্রান্ত একটি বৈঠকে অংশ নেওয়া সূত্রগুলো জানান, দেশটি উচ্চ সতর্কতায় রয়েছে। তবে এই সতর্কতা বাস্তবে কিভাবে প্রয়োগ হচ্ছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
উল্লেখ্য, গত বছরের জুনে ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে ১২ দিনের যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের সঙ্গে যৌথভাবে বিমান হামলায় অংশ নিয়েছিল।
একই দিনে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও একটি ফোনালাপে ইরানে সম্ভাব্য যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করেছেন। যদিও, মার্কিন কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, আলোচনার বিস্তারিত প্রকাশ করেননি।
একই দিনে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও একটি ফোনালাপে ইরানে সম্ভাব্য যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করেছেন। যদিও, মার্কিন কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, আলোচনার বিস্তারিত প্রকাশ করেননি।
তেল আবিব এ পর্যন্ত ইরানের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতিতে সরাসরি হস্তক্ষেপে আগ্রহী হওয়ার কোনো ইঙ্গিত দেয়নি। তবে, পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে দীর্ঘদিনের উদ্বেগের কারণে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা রয়েছে।
শুক্রবার প্রকাশিত দ্য ইকোনমিস্টকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু বলেন, 'ইরান যদি ইসরায়েলে হামলা চালায়, তবে এর ভয়াবহ পরিণতি হবে। ইরানের ভেতরে কী ঘটছে, তা আমাদের দেখতে হবে।'